আগামী কয়েকমাসের মধ্যেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। নির্বাচনের আগেই অবৈধ ভোটারদের ধরা ও ভোটার তালিকাকে স্বচ্ছ করতে বিভিন্ন রাজ্যে পাঠানো হয়েছে ডিক্লারেশন ফর্ম। বিশেষ করে যে সমস্ত রাজ্যে আগামী বছরের মধ্যে নির্বাচন রয়েছে। তালিকায় রয়েছে বাংলা, বিহারের নাম। যদিও এই ফর্ম নিয়ে ইতিমধ্যেই আপত্তি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার এই নিয়ে দীঘা থেকেই কমিশনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন তিনি। যদিও এই ফর্ম প্রসঙ্গে কমিশনকে সমর্থন করে পাল্টা মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
কমিশনের পদক্ষেপকে সমর্থন শুভেন্দু অধিকারীর
তাঁর মতে, “নির্বাচন কমিশন যে পদক্ষেপ নিয়েছে তার মাধ্যমে রাজ্যে যে সমস্ত অনুপ্রবেশকারী, ভুয়ো ভোটাররা রয়েছে, তাঁদের বাদ দিয়ে ভোটার তালিকা স্বচ্ছ করা যাবে। এটা অত্যন্ত ভালো একটি পদক্ষেপ। বাংলার ভোটার লিস্টে লক্ষাধিক রোহিঙ্গা রয়েছে। এরা কেউ শরনার্থী নন, বরং এরা অনুপ্রবেশকারী। এটা সিপিএমের আমলে শুরু হয়েছিল, মমতার সরকার সেটা আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে। সেই কারণে কমিশনের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ”।
দেখুন শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্য
Kolkata, West Bengal: LoP in State Assembly, Suvendu Adhikari says, "The Election Commission of India (ECI) is working to ensure transparency and restore democracy. Infiltrators are being helped by the ruling party in the state to create fake documents and get themselves listed… pic.twitter.com/PxiiAaEV0r
— IANS (@ians_india) June 26, 2025
রাজ্য সরকারের সমালোচনায় শুভেন্দু অধিকারী
শুভেন্দু আরও বলেন, “বিহারে ইতিমধ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এবার বাংলায় ভোটের আগে এই পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। রোহিঙ্গা. অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি এদেশে এসে ভুয়ো ভোটার কার্ড, আধার কার্ড বানিয়ে এদেশে বসবাস করছে এবং ভোটও দিচ্ছে। কয়েকদিন আগেই অসম এসটিএফের হাতে ধরা পড়েছিল মুর্শিদাবাদের এক যুবক। যার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছিল নকল পরিচয়পত্র। সে দেড় বছর আগে এদেশে প্রবেশ করে এবং তৃণমূলের হয়ে ভোটও দেয়”।