নয়াদিল্লি: ভারতের স্বাধীনতা দিবস (Independence Day) উপলক্ষে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী তশেরিং টোবগে (Prime Minister Tshering Tobgay) শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি এক্স হ্যান্ডলে লিখছেন, ‘ভারতের ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসে আন্তরিক শুভেচ্ছা, আমাদের বন্ধুত্ব উদযাপন এবং শান্তি, সমৃদ্ধি এবং অগ্রগতি কামনা করছি।’ প্রতিক্রিয়ায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi) ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। নরেন্দ্র মোদী লেখেন, ‘ভারতের স্বাধীনতা দিবসে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী টোবগেকে ধন্যবাদ জানাই। আগামী দিনে আমাদের দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হোক।’ এই ধরনের শুভেচ্ছা বিনিময় কেবলমাত্র আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রতীক।
ভারত ও ভুটান ১৯৪৯ সালের ভারত-ভুটান চুক্তির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে, যা ২০০৭ সালে সংশোধিত হয়। এই চুক্তি ভুটানের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ভিত্তি স্থাপন করে।
ভারত ভুটানের উন্নয়নের একটি প্রধান অংশীদার। ভুটানের অর্থনীতি, বিশেষ করে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প, ভারতের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। ভারত ভুটানের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।
স্বাধীনতা দিবসে শুভেচ্ছা
I thank Prime Minister Tobgay for the kind wishes on India’s Independence Day. May the bonds of friendship between our nations continue to grow stronger in the times to come. https://t.co/tNcIeu10tT
— Narendra Modi (@narendramodi) August 15, 2025
ভুটানের নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও ভারত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভারতীয় সেনাবাহিনী ভুটানের সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করে এবং দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত সামরিক সহযোগিতা রয়েছে।
ভারতের স্বাধীনতা দিবসে বিদেশি নেতাদের শুভেচ্ছা জানানো একটি সাধারণ কূটনৈতিক প্রথা। তবে ভুটানের শুভেচ্ছা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে, কারণ ভুটান ভারতের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্রদের মধ্যে একটি। ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলে আশা করা যায়, যা উভয় দেশের জনগণের কল্যাণে অবদান রাখবে।