পুষ্টি গুণে ভরপুর চিনেবাদাম । শুধু পুষ্টি নয় , প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন ই, ম্যাগনেশিয়াম, পটাসিয়াম এবং আরও অনেক উপাদানে ভরপুর। এই উপাদানগুলো শরীরকে শক্তি দেয় । যার ফলে ক্লান্তি ও খিদে অনেকটাই মিটে যায়। ফাইবার থাকার জন্য হজমশক্তিকে উন্নত করে এবং অতিরিক্ত খাদ্যের প্রতি আকর্ষণ কমায়। এভাবে, চিনেবাদাম আমাদের খাদ্যাভ্যাসে একটি সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ অনুশীলন হয়ে ওঠে।
হৃদযন্ত্র আমাদের শরীরের একটি অপরিহার্য অংশ, আর চিনেবাদামে থাকা ভালো ফ্যাট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রক্তের চলাচলে সহায়তা করে। এই উপাদানগুলি হার্টের যত্ন নিতে সাহায্য করে, কারণ এরা খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায় এবং ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়। ফলে, নিয়মিত চিনেবাদাম খেলে হার্টের স্বাস্থ্য বজায় থাকে ও হৃদযন্ত্রের কর্মক্ষমতা উন্নত হয়।
মনে রাখতে হবে, শুধু শরীরই নয়, মনও পাচ্ছে প্রাকৃতিক শক্তির পুরানোটাই। চিনেবাদামের সঙ্গে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অন্যান্য খনিজ, যা মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়, স্মৃতিশক্তি ত্বরান্বিত করে এবং মনকে সতেজ রাখে। বিকেলের দিকে এই স্ন্যাকস খেলে মানসিক চাপ থেকে কিছুটা মুক্তি পাওয়া যায়, কাজের চাপের মাঝে একটা ছোট বিশ্রাম পাওয়া যায়।
চিনেবাদামের আরেকটি দিক হলো তার ত্বক ও চুলের যত্নে প্রভাব। ভিটামিন ই ত্বককে উজ্জ্বল করে, বার্ধক্যের ছাপ কমাতে সহায়তা করে এবং চুলে প্রাকৃতিক গ্লো এনে দেয়।