Central Vista Project Bhoomi Pujan: নতুন সংসদ ভবন 'আত্মনির্ভর ভারতের' সাক্ষী হবে: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি
PM Narendra Modi laid foundation stone of New Parliament Building (Photo Credits: ANI)

নতুন দিল্লি, ১০ ডিসেম্বর: নতুন সংসদ ভবনের (New Parliamnent building) শিলান্যাস করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Prime Minister Narendra Modi)। আজ নতুন দিল্লিতে সংসদ ভবন তৈরির ভূমিপুজো অনুষ্ঠিত হয়। কর্নাটকের শৃঙ্গেরি মুঠের ছয় পুরোহিত সংস্কৃত মন্ত্র পাঠন করেন। অনুষ্ঠানে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী, গৃহ এবং নগর বিষয়ক মন্ত্রী হরদীপ এস পুরী, রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিং। উপস্থিত ছিলেন অন্য সাংসদ সদস্য, বিদেশী দূত ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দসহ প্রায় ২০০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি। উপস্থিত ছিলেন রতন টাটা। টাটা নতুন সংসদ ভবন তৈরির বরাত পেয়েছে।

ভূমিপুজোর পর বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "নতুন সংসদ ভবনের ভিত্তি স্থাপন হওয়ায় আজ একটি ঐতিহাসিক দিন। আমরা সবাই মিলে সংসদের এই নতুন ভবনটি নির্মাণ করব। আমরা যখন এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি প্রত্যক্ষ করছি তখন এটি ১৩০ কোটিরও বেশি ভারতীয়ের জন্য গর্বের দিন। নতুন সংসদ ভবনটি নতুন এবং পুরাতনের সহাবস্থানের উদাহরণ। সময় এবং প্রয়োজন অনুসারে নিজের মধ্যে পরিবর্তন আনার এটি একটি প্রচেষ্টা।" তিনি বলেন, আমি যখন এমপি হিসাবে প্রথমবারের মতো সংসদ ভবনে আসার সুযোগ পেয়েছিলাম, আমার জীবনের সেই মুহূর্তটি কখনই ভুলতে পারি না। পা রাখার আগে আমি মাথা নত করে গণতন্ত্রের এই মন্দিরকে প্রণাম করেছিলাম।" আরও পড়ুন: IRCTC: IRCTC-তে নিজেদের ২০% পর্যন্ত শেয়ার বিক্রি করছে কেন্দ্রীয় সরকার, ন্যূনতম দাম ১,৩৬৭ টাকা

মোদি বলেন, পুরনো সংসদ ভবন যদি স্বাধীনতা-উত্তর ভারতের দিকে দিক নির্দেশ করে তবে নতুন ভবনটি আত্মনির্ভর ভারত তৈরির সাক্ষী হয়ে উঠবে। পুরনো সংসদ ভবন স্বাধীনতার পরে ভারতকে একটি নতুন দিক নির্দেশনা দিয়েছে। নতুন ভবনটি আত্মনির্ভর ভারতের সাক্ষী হবে। পুরনো বিল্ডিংয়ে জাতির প্রয়োজনীয়তা পূরণের কাজ করা হয়েছিল। নতুন ভবনে একবিংশ শতাব্দীর ভারতের উচ্চাকাঙ্ক্ষাগুলির উপলব্ধি হবে।"

প্রধানমন্ত্রীর কথায়, "গণতন্ত্র ভারতে একটি সংস্কৃতি। গণতন্ত্র একটি জীবন মূল্য, একটি জীবনযাপন এবং দেশের প্রাণ। শতাব্দীর অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ভারতের গণতন্ত্র হল একটি ব্যবস্থা। আমাদের 'ইন্ডিয়া ফার্স্ট'-র প্রতিশ্রুতি নিতে হবে। আমাদের সিদ্ধান্তগুলিতে দেশকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে হবে এবং একই স্কেলে পরিমাপ করা উচিত, যাতে জাতির কল্যাণ প্রথমে আসে। স্বাধীনতার ১০০ বছরে ভারতকে আমরা কীভাবে দেখতে চাই, পরবর্তী ২৫-২৬ বছরে আমাদের প্রচেষ্টা এমনই থাকা উচিত।"