Wedding Representative Photo (Photo Credits: X)

নয়াদিল্লিঃ বিয়ের (Wedding) পর প্রথম করওয়া চৌথ বলে কথা। ঘটা করে উপবাস রেখে পালিত হয় করওয়া চৌথ। পুজো, চাঁদ দেখা থেকে সমস্ত আচার অনুষ্ঠান নিষ্ঠার সঙ্গেই পালন করেছিলেন তাঁরা। সারাদিন পর বাড়ির সকলে ঘুমিয়ে পড়তেই আসল খেলা শুরু। শ্বশুরবাড়ি থেকে টাকা-পয়সা ও গয়না নিয়ে গায়েব ১২ জন নববধূ। লুঠ হওয়া জিনিসপত্রের মূল্য আনুমানিক ৩০ লক্ষ টাকারও বেশি। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের আলিগড় শহরের সাসনি গেট থানা এলাকায়। এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

করওয়া চৌথের পরের দিন সকালে উঠে ঘরে নববধূকে না পেয়ে সন্দেহ হয় শ্বশুরবাড়ির লোকজনের। প্রথমে শুধু নববধূরাই নেই বলে টের পেলেও পরে তাঁরা বোঝেন ঘর থেকে উধাও সোনারূপোর গয়না ও টাকা। শুধু তাই নয়, শ্বশুরবাড়ির লোকেদের দাবি, খাবারে মাদক জাতীয় পদার্থ মিশিয়ে সকলকে ঘুমে আচ্ছন্ন করে এই ঘটনা ঘটনা তাঁরা। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই সাসনি গেট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে চারটি পরিবার। শ্বশুরবাড়ি থেকে পালানোর পর থেকেই পলাতক নববধূদের প্রত্যেকের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অন্যদিকে স্থানীয় সূত্রে খবর, এই পলাতক বধূদের প্রত্যেকের বিয়ে হয়েছিল ঘটকের দ্বারা। এক একটি বিয়ের জন্য ৮০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নিয়েছিলেন ঘটকেরা। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এই গোটা ঘটবার পিছনে একটি সংঘবদ্ধ চক্র যুক্ত। যারা মেয়েদের ঘটকদের মাধ্যমে বিয়ে দিয়ে এই ধরনের কাজ করাত। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকে ঘটকদের সঙ্গে কোনওভাবেই যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। ঘটকদের নাগাল পেতে দল গঠন করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। একাধিক জায়গায় চালানো হচ্ছে তল্লাশি।

করওয়া চৌথের রাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে টাকা ও গয়না-সহ গায়েব ১২ নববধূ