নয়াদিল্লিঃ নোটিশ পিরিয়ডে ছিলেন। এরই মধ্যে ব্যাঙ্কের (Bank) ভিতর থেকে উদ্ধার ম্যানেজারের ঝুলন্ত দেহ। বরামতী শাখার চিফ ম্যানেজারের দেহ উদ্ধারের পরই চাঞ্চল্য ছড়াল গোটা এলাকায়। কাজের চাপেই নিজেকে শেষ করে দেন তিনি, এমনটাই উল্লেখ সুইসাইড নোটে। ঘটনা জানাজানি হতেই কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুর ব্যাঙ্ক অফ বরোদার।
ব্যাঙ্কের মধ্যেই আত্মঘাতী ম্যানেজার
জানা গিয়েছে, মৃত চিফ ম্যানেজারের নাম শিবশঙ্কর মিত্র। বয়স ৫২। শিবশঙ্কর উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। প্রবাসী বাঙালি। কর্মসূত্রে মহারাষ্ট্রের পুনের বরামতীতে থাকতেন। বরামতীর ব্যাঙ্ক অফ বরদা ব্রাঞ্চের চিফ ম্যানেজার পদে কর্মরত ছিলেন। বৃহস্পতিবার ওই ব্রাঞ্চেই তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। মৃতদেহের কাছ থেকে একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার হয়েছে। যাতে উল্লেখ রয়েছে, কাজের চাপের বিষয়টি। শুধুমাত্র কাজের চাপ সামলাতে না পেরেই এই সিদ্ধান্ত কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে শিবশঙ্করের দেহ উদ্ধারের পরই ব্যাঙ্ক অফ বরোদার তরফে শোকপ্রকাশ করে লেখা হয়, "আমাদের সহকর্মীর এ ভাবে চলে যাওয়ায় আমরা শোকাহত। আমরা সব সময়ে তাঁর পরিবারের পাশে আছি। তাঁদের সব রকম ভাবে সহযোগিতা করব আমরা।" অন্যদিকে পরিবারের দাবি, চাকরি ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন শিবশঙ্কর। সাধারণত ব্যাঙ্কে ৯০ দিনের নোটিশ পিরিয়ডঃ থাকে। কিন্তু তাঁকে কোনওভাবেই রিলিজ দেওয়া হচ্ছিল না।
কাজের চাপে ব্যাঙ্কের মধ্যেই আত্মঘাতী ম্যানেজার, উদ্ধার সুইসাইড নোট
बैंक ऑफ बड़ौदा के मैनेजर ने बैंक में ही फांसी लगाकर आत्महत्या की, सुसाइड नोट में लिखा- ‘काम का बहुत प्रेशर था’https://t.co/1Suz0GMuEb
— ABI (@AkelaBureau) July 20, 2025