Hatia UNO Viral Video: Screenshot From Alleged Clip of Md Al .. Read more at: https://www.latestly.com/world/hatia-uno-viral-video-md-alauddin-made-osd-following-leak-of-29-second-clip-7358616.html

ফেসবুক ও টেলিগ্রামে ছড়িয়ে পড়া এসব লিংকে ক্লিক করলে ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন অপরিচিত ওয়েবসাইটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ‘পার্ট ২’ ভিডিওর লিংকগুলো মূলত ‘ফিশিং অ্যাটাক’ (Phishing Attack)। লিংকে ক্লিক করার পর ভিডিও দেখার প্রলোভন দেখিয়ে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ফেসবুক বা ইমেইল অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড চাওয়া হয়। এর মাধ্যমে হ্যাকাররা ব্যক্তিগত তথ্য ও সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিচ্ছে।

প্রতারণার কৌশল ও জনমনে বিভ্রান্তি

প্রতারক চক্রটি জনমনে কৌতূহল সৃষ্টি করতে ‘পার্ট ১’-এর পর ‘পার্ট ২’ ভিডিও আসার দাবি করছে। তারা এমন সব চটকদার ক্যাপশন ব্যবহার করছে যা দেখে সাধারণ মানুষ খুব সহজেই লিংকে ক্লিক করে ফেলে। অনেক ক্ষেত্রে এসব লিংকে প্রবেশ করলে ডিভাইসে ক্ষতিকর মালওয়্যার বা ভাইরাস স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডাউনলোড হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এতে ব্যবহারকারীর ব্যাংকিং তথ্য বা ব্যক্তিগত ছবি চুরির আশঙ্কা দেখা দেয়।

কর্তৃপক্ষের অবস্থান ও সতর্কতা

সংশ্লিষ্ট দফতর এবং স্থানীয় প্রশাসন এই ঘটনাকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মানহানিকর হিসেবে অভিহিত করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি একটি সরকারি কর্মকর্তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা মাত্র। সাধারণ জনগণকে এ ধরণের সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক না করার জন্য এবং সাইবার অপরাধীদের ফাঁদ থেকে সতর্ক থাকতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে করণীয়

ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের এই ধরণের স্ক্যাম থেকে বাঁচতে কিছু মৌলিক নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। প্রথমত, কোনো চটকদার বা বিতর্কিত ভিডিওর লিংকে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত, কোনো লিংকে প্রবেশের পর পাসওয়ার্ড বা ওটিপি (OTP) চাইলে তা দেওয়া যাবে না। সাইবার বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ডিজিটাল সচেতনতাই পারে এ ধরণের নোংরা গুজব এবং সাইবার আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে।