মন্দা কাটাতে খুব শিগগির সমাধান দেবে অর্থমন্ত্রক, গাড়ি শিল্পকে আশ্বাস নীতিন গড়কড়ির
নীতিন গডকড়ি ও অর্থনৈতিক সংকট (File Photo)

দিল্লি, ৫ সেপ্টেম্বর: দেশের অর্থনীতির ক্রমাবনতির মধ্যেই গত বুধবার মানেসর (Manesar) ও গুরুগ্রাম (Gurugram) প্ল্যান্টে উৎপাদন বন্ধ রাখার বিষয়টি ঘোষণা করেছিল দেশের অন্যতম গাড়ি প্রস্তুত কারক সংস্থা মারুতি সুজুকি (Maruti Suzuki)। চলমান অর্তনৈতিক মন্দার (economic crisis)কারণেই যে দুদিনের জন্য সংশ্লিষ্ট দুই প্ল্যান্টে উৎপাদন বন্ধ করা হবে, তাও জানিয়েছিল সুজুকি। এর ঠিক একদিন পরেই সরকারি তরফে গাড়ি প্রস্তুত কারক সংস্থা গুলিকে ভরসা দিলেন কেন্দ্রীয় পরিবহন মন্ত্রী নীতিন গডকড়ি (Nitin Gadkari)। তিনি এদিন এক প্রেস বিবৃতিতে বলেন, দেশের গাড়ি শিল্পের পাশেই রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই অর্থনৈতিক সংকট থেকে মুক্তি দিতে খুব শিগগির কোনও সমাধান বাতলে দেবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তাঁর আশ্বাস কতটা ফলপ্রসূ হল বোঝা যাচ্ছে না।

এদিন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে নীতিন গড়কড়ি বলেন, এই আর্থিক সংকটের সময় সব থেকে কঠিন সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে দেশের গাড়ি শিল্প (automobile industry)। তবে এরজন্য বিশ্ব অর্থনীতির বাজার, তার চাহিদা, উৎপাদন, সরবরাহ সবেরই ভূমিকা রয়েছে এই মন্দার নেপথ্যে। তবে চিন্তার কিছু নেই, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) গাড়ি শিল্পের সঙ্গেই রয়েছেন। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী এই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার সূত্রও দিয়ে দেবেন খুব শিগগির। সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, টাটা মোটরস ও হন্ডা বিক্রিবাট্টা বেশ কমেছে. গত আগস্টেই এই দুই গাড়ি প্রস্তুত কারক সংস্থার বিক্রি প্রায় ৫০ শতাংশ পড়ে গিয়েছে। আর মারুতি সুজুকির গত মাসের ব্যবসার পরিমাণ মাত্র ৩২.৭ শতাংশ। একইভাবে এই আগস্টে সংস্থার এক্সপোর্টের পরিমাণ ১,০৬,৪১৩ যা গত ২০১৮-র আগস্টের তুলনায় বেশ কম। গত বছর এই এক্সপোর্ট হয়েছিল ১,৫৮,১৮৯। আরও পড়ুন-টেলিকম সেক্টরে টারিফ বৃদ্ধি নিয়ে ট্রাইয়ের সিদ্ধান্তে নাক গলাবে না সরকার, রবি শংকর প্রসাদ

এক কথায় আর্থিক মন্দার জেরে মারুতি টয়োটর মত সংস্থা গুলি ক্ষতির বোঝা বইছে। এবং প্রতিটি সংস্থার বিক্রি প্রায় ২০ শতাংশ করে কেম গিয়েছে। তথ্য বলছে, মারুতির বিক্রি পড়েছে ৩৩ শতাংশ। যেখানে টাটা মোটরস ৫৮ শতাংশ বিক্রি পড়েছে। হন্ডার ৫১ শতাংশ, এছাড়াও ক্ষতির ভার বহনকারী অন্যান্য গাড়ি প্রস্তুত কারক সংস্থাগুলির মধ্যে রয়েছে মাহিন্দ্রা অ্যান্ড মাহিন্দ্রা(২৫ শতাংশ), মাহিন্দ্রা ট্রাকটরস(১৭ শতাংশ), হুন্ডাই (৯.৫৪ শতাংশ), আইচার ভলভো (৪১.৭ শতাংশ) ও টয়োটা (২১ শতাংশ)