Monkeypox Cases: বিশ্বের ২০টিরও বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে মাঙ্কিপক্স, আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২০০
Monkeypox (Photo Credit: File Photo)

নতুন দিল্লি, ২৭ মে: মাঙ্কিপক্স (Monkeypox) ভাইরাস বিশ্বের ২০টিরও বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এখনও পর্যন্ত ২০০ জন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। ১০০ জন সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন। আজ একথা জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। তারা দেশগুলিকে সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে। হু-র মারিয়া ভ্যান কেরখোভ বলেন, নজরদারি বাড়ালেই বিরল ভাইরাল অসুস্থতার আরও বেশি ঘটনা রিপোর্ট করা হবে। তবে তিনি জানিয়েছেন যে সাম্প্রতিক বিস্তার নিয়ন্ত্রণযোগ্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে একটি প্রশ্নোত্তর পর্ব চলাকালীন ভ্যান কেরখোভ বলেছেন, "আমরা আরও কেস শনাক্ত হওয়ার আশা করছি। আমরা দেশগুলিকে নজরদারি বাড়াতে বলছি। এটি একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য পরিস্থিতি। তবে এটি ক্রমেই নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে উঠবে।"

৭ মে ব্রিটেনে প্রথম মাঙ্কিপক্সের সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপর সংক্রমণ উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপের দেশগুলিতে ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাসের পশ্চিম আফ্রিকান স্ট্রেনই এই সংক্রমণের পিছনে দায়ী। আক্রান্ত হলেও বেশিরভাগ রোগী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সুস্থ হয়ে যান। মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত হয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। আরও পড়ুন: Monkeypox Outbreak: নতুন আক্রান্ত ২৫, স্পেনে মাঙ্কিপক্সের কবলে ৮৪ জন

ইউরোপীয় সেন্টার ফর ডিজিজ প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল অনুসারে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ১১৮টি মাঙ্কিপক্সের সংক্রমণ শনাক্ত করেছে। যেখানে স্পেন ও পর্তুগালে আক্রান্তের সংখ্য়া যথাক্রমে ৫১ ও ৩৭। ব্রিটেনে মাঙ্কিপক্সে ৯০ জন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে।

ইউএস সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) জানিয়েছে, আমেরিকায় সাতটি রাজ্যে ৯ জন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। অন্যদিকে, কানাডায় মাঙ্কিপক্সে আক্রান্তের সংখ্যা ১৬।

এই দেশগুলির স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেছেন যে বেশিরভাগ রোগীই সমকামী বা উভকামী পুরুষ, অনেক ক্ষেত্রে যৌনতার মাধ্যমে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে। যৌন অভিমুখ নির্বিশেষে ঘনিষ্ঠ শারীরিক যোগাযোগের মাধ্যমে মাঙ্কিপক্স যে কারও মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে। কিন্তু, মাঙ্কিপক্স কোনও যৌনবাহিত রোগ নয়। ক্ষত আছে এমন একজন সংক্রমিত ব্যক্তির সঙ্গে ত্বক থেকে ত্বকের যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়তে পারে। এটি শরীরের তরল, দূষিত বিছানার চাদর এবং পোশাক বা শ্বাস প্রশ্বাসের ফোঁটার মাধ্যমেও ছড়াতে পারে, যদি একজন ব্যক্তির মুখে ক্ষত থাকে।