বিহারে নির্বাচনের আগে ভোট চুরির অভিযোগ নিয়ে একদিকে যখন সরব রাহুল গান্ধীর মতো নেতারা, তখন অন্যদিকে এনসিপি-এসসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার (Sharad Pawar) অভিযোগ তুললেন আরও গুরুতর। তাঁর অভিযোগ, ইভিএম হ্যাকিং সম্ভব। আর সেই কারণে মহারাষ্ট্রে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর সঙ্গে দুজন সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন, যাঁরা তাঁকে ২৮৮টি আসনের মধ্যে ১৬০টি আসনে জয় পাইয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু শরদ পাওয়ার সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয় এবং ন্যায্যভাবে ভোটে লড়বেন বলেই সিদ্ধান্ত নেয়। এনসিপি-এসসিপি প্রধান সেই কারণেই ইভিএম হ্যাকিং অভিযোগ নিয়ে আরও কড়া অবস্থান নিয়েছেন।
অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ
যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ (Devendra Fadnavis)। তিনি পাল্টা বলেন, “আমার আশ্চর্য লাগছে এই কথা ভেবে যে এত বড় বড় নেতাদের কাছে এই সমস্ত প্রস্তাব নিয়ে কিছু লোক যখন আসছেন, তখন তাঁদের বিরুদ্ধে তখনই কোনও অভিযোগ কেন করা হচ্ছে না? পুলিশ বা নির্বাচন কমিশনে তখনই অভিযোগ করতে পারতেন শরদ পাওয়াররা। কিন্তু তাঁরা তখন কিছু না বলে এখন এই নিয়ে মুখ খুলছে। আসলে তাঁরা যে প্রস্তাব পেয়েছিল সেই অনুযায়ী ভোটের রেজাল্ট হয়নি তাই এখন ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছে”।
দেখুন দেবেন্দ্র ফড়নবিশের অভিযোগ
#WATCH | Nagpur: Maharashtra CM Devendra Fadnavis says, "...The Election Commission had thrown an open challenge many times that you should come and hack the EVM. No one could do it. If you have someone, then take them to the Election Commission. But stop insulting the people and… https://t.co/KFg0Ic4XO7 pic.twitter.com/oiXxUmGJ1e
— ANI (@ANI) August 10, 2025
শরদ পাওয়ারকে চ্যালেঞ্জ দেবেন্দ্র ফড়নবিশে
ফড়নবিশ আরও বলেন, “আসলে ইভিএম হ্যাক করা অসম্ভব। যদি তাঁরা প্রমাণ করতে পারে ইভিএম হ্যাক করা সম্ভব, তাহলে তাঁরা প্রমাণ করে দেখাক। কিন্তু এভাবে জনগণের সিদ্ধান্ত নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ করার কোনও অধিকার নেই। অভিযোগ করলে সেটা প্রমাণ করানোও দায়িত্ব রয়েছে তাঁদের”।