Marriage, Representational Image (Photo Credit: Pixabay)

বেঙ্গালুরু, ৩ অক্টোবর: কর্ণাটক (Karnataka) থেকে একটি বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে এল। যেখানে কর্ণাটকের এক মহিলা তাঁর স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ির বিরুদ্ধে বিস্ফোরণ করেন। ওই মহিলা দাবি করেন,  শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁর উপর অত্যাচার চালাত মুহুর্মুহু। পণের দাবিতে, যৌতুকের দাবিতে ওই মহিলার উপর অত্যাচার চালানো হত বলে দাবি কর্ণাটকের ওই মহিলার।

২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে সৈয়দ এনামুল হকের সঙ্গে বিয়ে হয় কর্ণাটকের এক তরুণীর। বাগদান পর্বের কয়েক মাস পর সৈয়দ এনামুল হকের সঙ্গে ওই তরুণীর বিয়ে হয়।

বিয়ের সময় সৈয়দ এনামুল হকের সঙ্গে ওই তরুণীর বিয়ের সময় ৩৪০ গ্রাম সোনা, ইয়ামাহা বাইক-সহ বিভিন্ন জিনিস দেওয়া হয়। ধুমধাম করে বিয়ের পর মেয়ের বাড়ির লোকজন জানতে পারেন, এনামুল হকের আগে আরও একটি বিয়ে রয়েছে। যা জানতে পেরে কার্যত আকাশ থেকে পড়েন ওই তরুণীর বাড়ির লোকজন।

তবে এখানেই শেষ নয়। ওই তরুণী আরও দাবি করেন, তাঁর স্বামী এনমুল নিজেদের ঘরে গোপণ ক্যামেরা লাগিয়ে রাখে। তাঁদের ব্যক্তিগত যে সমস্ত মুহূর্ত ওই ক্যামেরায় রেকর্ড হত, তা ওই ব্যক্তি বিদেশে থাকা বিভিন্ন মানুষের কাছে বিক্রি করত।

পাশাপাশি এমন অনেককে এনামুল তার স্ত্রীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিত, যারা ওই তরুণীর সঙ্গে বিছানা ভাগ করে নিত। অর্থাৎ জোর করে স্ত্রীকে পরপুরুষের হাতে তুলে দিত এনামুল। স্ত্রীকে অন্যের শয্যা সঙ্গিনী (Private Video) করে, সেখান থেকে রোজগার করত নিয়মিত। সেই সমস্ত ভিডিয়োও বিভিন্নভাবে এডিট করে বিদেশিদের কাছে এনামুল বিক্রি করত বলে ওই তরুণীর অভিযোগে উঠে আসে।

এসবের সঙ্গে ছিল নানা ধরনের অত্যাচার। এনামুল বিভিন্নভাবে স্ত্রীর উপর মানসিক এবং শারীরিক অত্যাচার চালাত। এমনকী ওই তরুণী বাবার বাড়িতে গেলেও অত্যাচার করত এনামুল। জোর করে স্ত্রীর সমস্ত গয়না বিক্রি করে ফ্ল্যাট কেনে এনামুল। যা দিতে  অস্বীকার করতে এনামুল মারধর করে স্ত্রীর উপর। এমন অভিযোগও উঠে আসে।

বিয়ের পর থেকে দীর্ঘদিন ধরে এনামুলের অত্যাচার সহ্য করে শেষ পর্যন্ত অধৈর্য হয়ে ওঠেন ওই তরুণী। তারপরই তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হন এবং ২১ সেপ্টেম্বর স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।