Minor Girl Pregnancy Case: কর্ণাটকের ইয়াদগিরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। সেখানকার শাহাপুর তালুকের এক সরকারি আবাসিক স্কুলের শৌচালয়ে সন্তানের জন্ম দেয় নবম শ্রেণীর এক ছাত্রী। গত বুধবার দুপুর ২টো নাগাদ স্কুলের শৌচালয় থেকে নবজাতর কান্নার আওয়াজ শুনে স্কুলের ছাত্রীরা ছুটে গিয়ে দেখে, একটি শিশু কাঁদছে, আর তারপাশে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে আছে নবম শ্রেণীর ছাত্রী। পুলিশ ঘটনায় তদন্ত শুরু করে পকসো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে ২৮ বছরের এক যুবককে। ১৭ বছরের স্কুল ছাত্রীটিকে যৌন নিযার্তন করা ২৮ বছর বয়সী সেই যুবক স্থানীয় বাসিন্দা। পুলিশের FIR অনুসারে, সেই যুবক ছাত্রীটির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করতেন এবং যৌন নির্যাতন করে তাকে গর্ভবতী করেছেন। যুবকটি ছাত্রীটিকে যৌন নির্যাতন করে গর্ভবতী করেছেন। এটি সম্ভবত একাধিকবার ঘটেছে, কিন্তু নির্দিষ্ট বিবরণ পুলিশ এখনও প্রকাশ করেনি। ছাত্রী তার বিবৃতিতে যুবকের নাম উল্লেখ করেছে। এটি POCSO আইনের অধীনে যৌন নির্যাতন এবং গর্ভধারণের কেস হিসেবে চিহ্নিত।
যুবকটি পাশাপাশি স্কুলের প্রিন্সিপালকেও এই কাণ্ডে অভিযুক্ত করা হয়েছে
যাদগির পুলিশ যুবককে গ্রেফতার করার পর তাকে আদালতে পেশ করেছে। তার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই পকসো আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগটি দায়ের করেছিলেন জেলার শিশুরক্ষাকারী আধিকারিক চাইল্ড প্রোটেকশন অফিসার। অভিযুক্ত যুবকের পাশাপাশি মামলায় আরও চারজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে- তারা হলেন স্কুলের হোস্টেলের ওয়ার্ডেন, স্কুলের প্রিন্সিপাল, স্টাফ নার্স ও নির্যাতিতা কিশোরীর ভাই। প্রশাসনের তরফে জানানো, শিক্ষাবর্ষের শুরু থেকেই ওই ছাত্রী নিয়মিত স্কুলে যাতায়াত করছিল। অথচ দায়িত্বে অবহেলা করে কেউই তার স্বাস্থ্য বা মানসিক অবস্থার দিকে নজর দেননি।
দেখুন খবরটি
Yadgir, Karnataka | During the investigation, the police identified the accused as a 28-year-old man. POCSO case has been registered against the accused, based on a complaint filed by the District Child Protection Officer. A case has also been registered against four others,…
— ANI (@ANI) August 30, 2025
৯ মাস আগে যৌন নির্যাতনের ঘটনাটি ঘটেছিল
প্রাথমিক তদন্তের পর জানা গিয়েছে, মেয়েটিকে ৯ মাস আগে যৌন নির্যাতন করে এক ব্যক্তি। কিন্তু মেয়েটি এখনও বেশ আতঙ্কের মধ্যে আছে। সে কিছুতেই জানাতে চাইছে না কে তার ওপর এই যৌন নির্যাতন চালিয়েছে। তবে সে জানিয়েছে, পেটে অসম্ভব যন্ত্রণা হওয়ার পর সে শৌচালয়ে যায়, এবং সন্তানের জন্ম দেয়। মেয়েটি ও তার সদ্যোজাত সন্তান এখন সুস্থ আছে বলে ডাক্তাররা জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, স্কুল কর্তৃপক্ষ ও মেয়েটির ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
কী দাবি শিশু অধিকার কমিশনের
কর্ণাটকে নাবালিকা গর্ভধারণের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন শিশু অধিকার কমিশনের সদস্য শশিধর কোসুম্বে। তিনি জানান, অভিযোগ দায়ের হয়েছে এবং বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। কোসুম্বের বক্তব্য, "প্রতি মাসে মেডিক্যাল চেক-আপ হওয়ার কথা, কিন্তু সমাজকল্যাণ দফতর তা করেনি। শিশুর শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করেও কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব দেয়নি। এই অবহেলার জন্য দায়ী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।" তিনি আরও বলেন, আবাসিক স্কুলে নিয়মিত মেডিক্যাল চেক-আপ চালু করলে এ ধরনের ঘটনা রোধ করা সম্ভব।