দিল্লি, ১৪ মে: ফের বড় পদক্ষেপ ভারতের (India)। এবার লড়াই নয়, কূটনৈতিকভাবে নতুন করে ইসলামাবাদকে (Islamabad) আবারও প্রহার করল দিল্লি (Delhi)। নতুন করে বন্ধ করে দেওয়া হল চেনাব নদীর উপর তৈরি বাগলিহার হাইড্রোলিক পাওয়ার প্রজেক্টের Baglihar Hydroelectric Power Project Dam) সবকটি গেট। অর্থাৎ বাগলিহার বাঁধের একটি বাঁধ খুলে রাখল না ভারত। বুধবার সকাল ৯টা নাগাদ দেখা যায়, বাগলিহার বাঁধের সবকটি বাঁধ বন্ধ। জলের অভাবে শুকনো হয়ে পড়ে রয়েছে বাগলিহার বাঁধের সবকটি গেট। অর্থাৎ চেনাব থেকে পাকিস্তানের দিকে যাতে কোনওভাব জল গড়াতে না পারে, তার জন্য করা হয়েছে পদক্ষেপ। অস্ত্র বিরতি চুক্তির পরও বাগলিহার এবং সালাল (Salal) বাঁধের একটি বা দুটি করে গেট খুলে রাখছিল ভারত। তবে বুধবার সকালে দেখা যায় একেবারে অন্যরকম ছবি। যেখানে বাগলিহার বাঁধের সবকটি গেট নতুন করে বন্ধ করে দেওয়া হয় ভারতের তরফে।
আরও পড়ুন: Pakistan High Commission: দিল্লিতে পাক দূতাবাসের কর্মকর্তাকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ কেন্দ্রের
দেখুন বাগলিহারের সবকটি গেট বন্ধ...
#WATCH | Jammu and Kashmir | All gates at the Baglihar Hydroelectric Power Project Dam, built on the Chenab River in Ramban, have been closed.
(Visuals from the spot, shot at 9 am) pic.twitter.com/oAadj6myN1
— ANI (@ANI) May 14, 2025
সোমবার রাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। পাকিস্তানের সঙ্গে অস্ত্র বিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ভাষণ সামনে আসে। আর সেখানেই তিনি স্পষ্ট জানান, পাকিস্তানের সঙ্গে কথা হলে তা সন্ত্রাসবাদ নিয়ে হবে। পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর (POK) নিয়ে হবে। পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ (Terrorist) আর বাণিজ্য একসঙ্গে চলে না। তেমনি রক্ত আর নদীর জলও একসঙ্গে বইতে পারে না। ফলে সিন্ধু চুক্তি স্থগিতের যে কথা পহেলগাম হামলার পর ভারতের তরফে জানানো হয়েছিল, তা এখনও অব্যাহত বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত সিন্ধু চুক্তি স্থগিতের পর পাক সাংসদ বিলাওয়াল ভুট্টো (Bilawal Bhutto) ভারতকে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, সিন্ধু দিয়ে জল না এলে, ওই নদীর অববাহিকা দিয়ে রক্ত বইবে। বিলাওয়ালের ওই মন্তব্যের পর তা নিয়ে কড়া কটাক্ষ শুরু হয়ে। তারপরই প্রধানমন্ত্রী মোদী জাতির উদ্দেশে ভাষণের দিন বিলাওয়ালের নাম না নিয়েই পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দেন সন্ত্রাসবাদ নিয়ে।