'পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেব',  পাকিস্তানি জঙ্গিদের হুঁশিয়ারি দিলেন জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক
সত্যপাল মালিক (Photo Credit: IANS)

শ্রীনগর, ২১ অক্টোবর: পাকিস্তান নাকি অধিকৃত কাশ্মীরের জঙ্গিদের একত্রিত করেছে। এবার নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে এপারে ঢুকে জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাস চালাবে। এই খবর আসার একদিনের মধ্যেই পাকিস্তানকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন উপত্যকার রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক (Satya Pal Malik)। তিনি বলেন, “পাকিস্তান যদি ফের কাশ্মীরে নাশকতা চালায় তাহলে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে সেখানকার জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেবে ভারতীয় সেনা। যদি না পাক জঙ্গিরা ভারত বিরোধী কার্যকলাপ বন্ধ করে। আমরা পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেব।” পাকিস্তান সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের জবাব দিতে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জঙ্গি ঘাঁটিতে হামলা চালায় ভারতীয় সেনা। সেই হামলায় পাক সেনা-সহ বেশ কয়েকজন জঙ্গি নিকেশ হয়েছে।

বিপিন রাওয়াত (Army Chief General Bipin Rawat) বলেন, আমরা জানতে পেরেছি তাংধার, কেরান ও নগাঁও এলাকার ঠিক উল্টোদিকে পাকিস্তানিরা জঙ্গি ঘাঁটিগুলি তৈরি রেখেছে। এই জায়গাগুলোকে পাখির চোখ করেই ভারতীয় সেনা হামলা চালিয়েছিল। সেই হামলায় জঙ্গি ঘাঁটিগুলি গুঁড়িয়ে গিয়েছে। এই আচমকা হামলায় ছয় থেকে ১০ জন সেনার মৃত্যু হয়েছে। প্রায় সম সংখ্যাক জঙ্গিরও মৃত্যু হয়েছে। খুব শিগগির বিশদে এর বিবরণ দেওয়া হবে। সংবাদ মাধ্যমকে একথাই বলেছেন জেনারেল রাওয়াত। তবে পাকিস্তানের তরফে এই হামলার কথা অস্বীকার করা হয়েছে। আরও পড়ুন-ফেসবুকে প্রেম, তরুণীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে লাগাতার ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবক

গত আগস্টেই ৩৭০ ধারা (Article 370) তুলে নেওয়ার প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বলেছিলেন,  জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu and Kashmir,) ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। খুব শিগগির পাক অধিকৃত কাশ্মীর ((PoK)) ও আকসাই চিন এই বৃহত্তর ভারতীয় ভূখণ্ডের সঙ্গে জুড়ে যাবে। পাক অধিকৃত কাশ্মীর-সহ আকসাই চিনকে ভারতের সঙ্গে জুড়তে বিজেপি নেতারা তাঁদের জীবন দিতেও রাজি আছেন। তারপর থেকে পাক অধিকৃত কাশ্মীর দখলে আনার জন্য সমস্বরে আহ্বান জানাচ্ছে বিজেপি নেতাদের একাংশ। গত সেপ্টেম্বরেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জীতেন্দ্র সিং (Union Minister Jitendra Singh) বলেন, ৩৭০ ধারা অবলুপ্তির পর এখন পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে মুক্ত করাই কেন্দ্রের মোদি সরকারের পরবর্তী লক্ষ্য।