Petrol and Diesel (Photo Credits: Pixabay)

Hardeep Puri: ইরানের পরমাণু ঘাঁটিগুলিতে সরাসরি হামলা চালিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে বড় যুদ্ধের মঞ্চ বেঁধে দিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর ইরানের মাটিতে এটিই প্রথম সরাসরি মার্কিন সামরিক হামলা। ইরান এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। ইরান যদি হামলা চালায় তাহলে আমেরিকা আরও বড় হামলা চালাবে বলে হুমকি দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ভারতে জ্বালানি তেলের জোগান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কারণ পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসগারের সংযোগস্থলে ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকা হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পরিবহন হয় এই হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে। যা বিশ্বের দৈনিক ব্যবহারের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ।

ভারতের জ্বালানি কেলের অনেকটাই আসে ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকা হরমুজ প্রণালী দিয়ে

৯৫ কিলোমিটার চওড়া হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে সৌদি আরব, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং কুয়েত সহ গুরুত্বপূর্ণ উপসাগরীয় তেল উৎপাদনকারী দেশগুলি থেকে তেল রপ্তানি ব্যাহত হবে। ভারতেও জ্বালানি তেলের অনেকটাই আসে এই প্রণালী দিয়েই। তাই ভারতে জ্বালানী তেলের (পেট্রোল, ডিজেল) জোগান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই বিষয় নিয়ে এক্স প্ল্যাটফর্মে সরকারের বক্তব্য জানালেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ পুরী। কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে জানালেন, "গত দু’সপ্তাহ ধরে আমরা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাময় আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে গত কয়েক বছরে আমরা তেল সরবরাহের উৎসকে অনেকটাই নানা দিক থেকে বিস্তৃত করেছি। এখন আমাদের অনেক তেলই হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসে না।"

দেখুন কী বললেন পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ পুরী

ইরানের পার্লামেন্ট হরমুজ প্রণালী বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে

এরপর হরদীপ পুরী জানান, "আমাদের তেল বিপণন কোম্পানিগুলির কাছে কয়েক সপ্তাহের পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত আছে এবং তারা বিভিন্ন রুটে তেল সরবরাহ পাচ্ছে। দেশের মানুষকে জ্বালানির জোগান দিতে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, তার জন্য আমরা প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেব।"