Job Loss: দুঃসংবাদ! ২০১১-১৮ এই ৬ বছরে ৯০ লক্ষ চাকরি খুইয়েছে ভারত
প্রতীকী ছবি (Photo Credit: Pixabay)

নতুন দিল্লি, ১ নভেম্বর: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) শপথ গ্রহণের পরের দিনই দেশের কর্মসংস্থানের বেহাল ছবি সামনে আনে পরিসংখ্যান মন্ত্রক। সেই রিপোর্টে বলা হয়, ২০১৭-’১৮ অর্থবর্ষে দেশে বেকারত্বের হার ছিল ৬.১ শতাংশ। ১৯৭৪ সালের পর দেশের কর্মসংস্থানের হাল কখনও এত খারাপ হয়নি। যদিও পরিসংখ্যান মন্ত্রকের দাবি, সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতিতে কর্মসংস্থানের হার নির্ধারণ করা হয়েছে। তাই আগের হিসেবের সঙ্গে বেকারত্বের এই হারের তুলনা করা ঠিক নয়। তবে এই ৬ বছরে ভারতে চাকরির সংখ্যা কমেছে অন্তত ৯০ লক্ষ। স্বাধীন ভারতে এই প্রথম। একই সঙ্গে বাড়ছে দেশে বেকারত্বের হারও।

বিশেষ করে নোটবন্দির (Demonetisations) পর থেকে গত তিন বছরে ভারতে যে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিয়েছে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেকারত্বের হার বৃদ্ধি তার অনিবার্য পরিণতি। তীব্র অর্থনৈতিক মন্দার ফলে ভারতে দ্রুত পিছিয়ে পড়তে শুরু করেছে শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রদু’টিও। গত বছরের সেপ্টেম্বরে পরিকাঠামো ক্ষেত্রের উৎপাদন যা ছিল, গত সেপ্টেম্বরে তা ৫.২ শতাংশ কমেছে। আর গত আগস্টে দেশে শিল্পোৎপাদন যে গতিতে কমেছে, তা গত ৬ বছরে সর্বাধিক। এ বছরের অক্টোবরে ভারতে বেকারত্বের হার বেড়ে পৌঁছেছে সাড়ে ৮ শতাংশে। যা ২০১৬-র আগস্টের পর সবচেয়ে বেশি। মার্কিন থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সংস্থা ‘সেন্টার ফর মনিটারিং ইন্ডিয়ান ইকনমি (CMII)’ শুক্রবার তাদের প্রকাশিত সর্বশেষ রিপোর্টে এই উদ্বেগজনক তথ্য দিয়েছে। দেশে বেকারত্বের হার কতটা দ্রুত হারে বাড়ছে তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ, আগের মাস সেপ্টেম্বর (৭.২ শতাংশ) থেকে বেকারত্বের হার অক্টোবরে বেড়েছে ১.৩ শতাংশ। এটাও একটি রেকর্ড। আরও পড়ুন-Delhi Air Pollution: দূষণে ঢেকেছে রাজধানী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত স্কুল কলেজে ছুটি ঘোষণা কেজরিওয়ালের

উল্লেখ্য, দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) অর্থনীতির অধ্যাপক সন্তোষ মেহরোত্রা ও পাঞ্জাবের সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অর্থনীতির অধ্যাপক যযাতি কে পরিদার ওই গবেষণাপত্রটি বৃহস্পতিবার প্রকাশ করেছে আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সেন্টার অফ সাসটেনেবল এমপ্লয়মেন্ট’ বিভাগ। ও দিকে, জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের আর এক অধ্যাপক হিমাংশুর দাবি, ২০১১-’১২ থেকে ২০১৭-’১৮ পর্যন্ত ভারতে ফিবছরে গড়ে ২৬ লক্ষ মানুষ চাকরি খুইয়েছেন। অধ্যাপক মেহরোত্রার কথায়, ‘‘চাকরির সংখ্যা কমার এই তথ্য স্বাধীন ভারতে এই প্রথম।’’