Dragon Fruit Export: মহারাষ্ট্র থেকে বিদেশি ড্রাগন ফল দুবাইতে রপ্তানি করা হয়েছে
ড্রাগন ফল (Picture Credits: Pixabay)

নতুন দিল্লি, ২৭ জুন: বিদেশি ফল রপ্তানি ক্ষেত্রে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে এবার তন্তু ও খনিজ পদার্থযুক্ত ড্রাগন ফল (Dragon Fruit), যা কমল বা পদ্ম নামে পরিচিত, তা দুবাইতে রপ্তানি করা হয়েছে। মহারাষ্ট্রের সংলি জেলার তদাসর গ্রামের কৃষকরা সম্মিলিতভাবে এই ড্রাগন ফল ফলিয়েছেন। যা রপ্তানির ব্যবস্থা করেছে কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ পণ্য রপ্তানি উন্নয়ন সংস্থা, অ্যাপেডা স্বীকৃত মেসার্স কে বি রপ্তানিকারক সংস্থা।

ড্রাগন ফল যার বৈজ্ঞানিক নাম 'হাইলোসেরিউসুন্ডাস' এটি মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপিনস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভিয়েতনামের মতো দেশে পাওয়া যায়। ওইসব দেশে উৎকৃষ্ট এই ফলের চাষ হয়। ভারতে ১৯৯০ সালের গোড়া থেকে বাড়ির বাগানে এই ধরনের ফল ফলানো শুরু হয়। পরবর্তীকালে খাদ্যগুণ সম্পন্ন এই ফল কৃষকরা চাষ করতে শুরু করেন। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বর্তমানে ড্রাগন ফলের চাষ হয়। যার মধ্যে রয়েছে কর্ণাটক, কেরালা, তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র, গুজরাট, ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্রপ্রদেশ, এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ। বিভিন্ন ধরনের মাটিতে এবং জলের ব্যবহার বেশি না করেও এই ফলের চাষ করা সম্ভব। মূলত তিন ধরনের ড্রাগন ফল রয়েছে। একটি হচ্ছে সাদা শাঁস যুক্ত এবং যার বাইরেটা গোলাপি। আরেকটি হচ্ছে লাল শাঁস যুক্ত এবং এটিরও বাইরেটা গোলাপি। এছাড়া অন্য একটি ধরন হচ্ছে সাদা শাঁস যুক্ত হলেও এর বাইরে টা আবার হলুদ। আরও পড়ুন, দুই রাজ্যে সভাপতি বদল করল বিজেপি

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ২০২০ সালের জুন মাসে আকাশবাণী থেকে প্রচারিত তাঁর 'মন কি বাত' অনুষ্ঠানে এই ড্রাগন ফলের কথা উল্লেখ করেছিলেন। যে ফল গুজরাটের শুষ্ক অঞ্চল হিসেবে পরিচিত কচ্ছ এলাকায় কৃষকরা চাষ করে সাফল্য অর্জন করেছেন।

এই ড্রাগন ফলের মধ্যে রয়েছে তন্তু বা ফাইবার, ভিটামিন, খনিজ দ্রব্য এবং এটি অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। মানব শরীরে কোষের ক্ষতি বা সেল ড্যামেজ হলে এই ফল উপকারী হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এই ফল নিয়মিতভাবে খেলে পাচন তন্ত্রের ক্ষমতা বাড়ে।

যেহেতু এই ফলের মধ্যে পদ্মের মতো কাঁটা এবং পাপড়ি থাকে সেজন্য এই ফলকে কমল বা 'পদ্ম' বলা হয়।

অ্যাপেডা বিভিন্ন ধরনের কৃষি এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে রপ্তানিকারক সংস্থাগুলিকে সহযোগিতা করে আসছে। এর পাশাপাশি, পরিকাঠামোগত ও গুণগত মান বজায় রাখা এবং বিপণনের প্রতি নজর রাখছে।