Cyclone Warning: পুজোর মুখে বাঙালির চোখ এখন আকাশের দিকে। ২৮ সেপ্টেম্বর, মহাষষ্ঠী। তার আগে হাতে আর দিন ১৫। সবার আশঙ্কা দুর্গাপুজোর কটা দিন যেন বৃষ্টি না হয়। এর মধ্যে খারাপ খবর। বঙ্গোপসাগরে নতুন নিম্নচাপের কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর (IMD)। তবে এখনও পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়নি। কিন্তু অনুকূল পরিবেশ পেয়ে গেলে Cyclone Threat ভয়ঙ্কর রূপ নিতে পারে। ওডিশা ও উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূল সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। বাংলার জন্য সরাসরি বিপদের আশঙ্কা না থাকলেও প্রান্তিক প্রভাব পড়তে পারে। সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে বঙ্গোপসাগরের (Bay of Bengal ) মধ্যভাগে এক নিম্নচাপের সৃষ্টি হচ্ছে, উপরের বায়ুচক্রের কারণে সেটি ধীরে ধীরে শক্তিশালী হচ্ছে। ২৮ সেপ্টেম্বরের পর এটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলছে।
ষষ্ঠী থেকে বাংলার উপকুলবর্তী জেলাগুলিতে হতে পারে ভারী বৃষ্টিপাত
এখনও পর্যন্ত যা পূর্বাভাস তাতে ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, সুন্দরবন এলাকায় প্রচণ্ড বৃষ্টিপাত (২৪ ঘণ্টায় ১০০-১৫০ মিলিমিটার পর্যন্ত) হতে পারে। গত মে মাসে হওয়া ঘূর্ণিঝড় 'রেমাল'-এর মতোই সমুদ্র থেকে আর্দ্রতা প্রবাহিত হয়ে এই বৃষ্টি নামাতে পারে। দিঘা, মন্দারমণি ও সুন্দরবনে ঘণ্টায় ৪০-৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে, দমকা হাওয়া ৭০ কিমি পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। এতে মাছধরার নৌকা, সমুদ্রপথ পরিবহন ও উপকূলীয় পর্যটনে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। তবে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘূর্ণিঝড় সতর্কতা নেই, যদিও সংস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছে।
দেখুন খবরটি
Cyclone threat for Odisha looms as Bay of Bengal braces for potential storm#Odishahttps://t.co/aZbGMsghxK
— OTV (@otvnews) September 12, 2025
ঘূর্ণিঝড়ের প্রস্তুতিতে ওডিশা সরকার
ফণী (২০১৯) ও ইয়াস (২০২১)-এর ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের পর ফের ওডিশায় নতুন ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ECMWF ও NCUM মডেল ২৮ সেপ্টেম্বরের পর ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস দিচ্ছে, অন্যদিকে NCEP GFS দেখাচ্ছে ২৯ সেপ্টেম্বরের আশেপাশে শক্তিশালী সিস্টেম তৈরি হতে পারে। ওডিশা সরকার ইতিমধ্যেই ত্রাণ সামগ্রী, আশ্রয়কেন্দ্র ও উদ্ধার পরিকল্পনা প্রস্তুতি শুরু করছে। মে থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চলা ঘূর্ণিঝড় মরসুমে চলতি বছর ইতিমধ্যেই একাধিক সিস্টেম দেখা গিয়েছে। ফলে সেপ্টেম্বরের এই নিম্নচাপকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।