Cuttack Violence. (Photo Credits: X@otvnews)

Cuttack Clash: দুর্গাপুজোর বিসর্জন শোভযাত্রার অশান্তিকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেল ওডিশার কটকে। কটকের হিংসা পরিস্থিতি এখন এতটাই তুঙ্গে যে সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিতে হল। বন্ধ হোয়াটসঅ্যাপ সহ সব সোশ্যাল মিডিয়া। ওড়িশা সরকার কটক পৌরনিগম (CMC), কটক উন্নয়ন পর্ষদ (CDA) এবং ৪২ মৌজার এলাকায় আজ,রবিবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে আগামিকাল, সোমবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মোবাইল ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়া সেবা স্থগিত করেছে। ওডিশা সরকারের দাবি, ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় কটকের হিংসা নিয়ে ভুয়ো-মিথ্যা খবর বন্ধ হবে এবং এতে উত্তেজনা কমবে। গতকাল, শনিবার ভোর ১টা ৩০ থেকে ২টা পর্যন্ত হাথি পুখুরি এলাকায় দুর্গাপুজোর বিসর্জনের মিছিল চলাকালীন দু পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পাথর এবং বোতল ছোঁড়ার ঘটনা ঘটে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ আগামিকাল, সোমবার কটকে শহরব্যাপী বন্ধের ডাক দিয়েছে।

শান্তি  বজায় রাখার আবেদন ওডিশার মুখ্যমন্ত্রীর

কটকে শান্তি ফেরানোর আবেদন জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি সোশ্য়াল মিডিয়া পোস্ট করলেন। মুখ্যমন্ত্রী নাগরিকদের শান্তি বজায় রাখতে এবং শহরের হাজার বছরের ঐতিহ্য রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন। অপরাধীদের বিরুদ্ধে 'কঠোর ব্যবস্থা' নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। গুজবে কান না দেওয়ার আবেদন করে কটকের বিভিন্ন জায়গায় মাইকিং করছে প্রশাসন। ঠিক কোথা থেকে অশান্তির সূত্রপাত? কটকের হাথি পুখুরি এলাকায় দুর্গাপুজোর বিসর্জনের শোভাযাত্রায় জোরে গান বাজানো নিয়ে ঝামেলার সূত্রপাত হয়েছিল, কিন্তু ক্রমশ সেই ঝামেলা থেকে অশান্তি ছাড়াতে এখনও শহরজুড়ে ইন্টারনেট বন্ধ করতে হল কটক পুলিশকে। প্রশ্নের মুখে পড়েছে ওডিশার বিজেপি সরকার। বেশ কয়েকজন জখম হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে।

দেখুন কটকের হিংসা পরিস্থিতি

দেখুন খবরটি

পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ জনতার

আজ, রবিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ কাদম রাসুল ও হাথি পুখুরি এলাকায় এক বড় র‍্যালির সময় প্রতিবাদকারীরা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পুলিশ লাঠিচার্জ এবং টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে জনসমাগম ছত্রভঙ্গ করেছে। উভয় পক্ষ থেকে পাথর ছোঁড়ার অভিযোগ উঠেছে। সংঘর্ষে চোখে আঘাত পান কটকের DCP ঋষিকেশ খিলারী। ছয় জন পুলিশকর্মী এবং কয়েকজন সংবাদমাধ্যমের কর্মী জখম হন। তাঁরা স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন।