পাটনায় পারস হাসপাতালের (Paras Hospital) আইসিইউ-তে ঢুকে চন্দন মিশ্রকে গুলি করে খুনের ঘটনায় বাংলা যোগ। ঘটনার পর অভিযুক্তরা বিহার থেকে পালিয়ে বাংলায় এসে গা ঢাকা দেয় অভিযুক্তরা। শনিবার বিহার পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স ও পাটনা পুলিশের যৌথ বাহিনী নিউটাউনে এসে ৬ জনকে গ্রেফতার করেছেন। তাঁদের মধ্যে মূল অভিযুক্ত তৌসিফ রাজাও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও কাদের কাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট করেনি তদন্তকারীরা। এদিকে এই ঘটনা্টি ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

রাজ্য সরকারের সমালোচনা শমীক ভট্টাচার্য

বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) এই প্রসঙ্গে বলেন, রাজ্যে কোনও আইনশৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। তাই যে কোনও অপরাধীদের মাথা গোঁজার জায়গা হয়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। দুষ্কৃতিরা ভাবে এখানে তাঁদের সরকারই রয়েছে। এটা কোনও অপরাধীকে নিয়ে কথা হচ্ছে না কিংবা বিহার নিয়েও কথা হচ্ছে না। এই রাজ্যেই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, রোহিঙ্গারা ধরা পড়ছে। জঙ্গিদের এখান থেকে ধরা হচ্ছে। রাজ্য সরকার বলে এথানে কিছু নেই।

দেখুন শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য

গ্যাংওয়ারের কারণেই মৃত্যু হয় চন্দনের

প্রসঙ্গত, পাটনা গুলিকাণ্ডে যার মৃক্যু হয়েছিল সে কুখ্যাত অপরাধী চন্দন মিশ্র। সম্প্রতি সে শারীরিক অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। আর সেই সুযোগেই দুষ্কৃতিরা তাঁর ওপর হামলা চালায়। এর সঙ্গে একসময়ে শেরু সিংয়ের সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল। একটি খুনের মামলায় পুরুলিয়াতে জেলবন্দি রয়েছে সে। জানা যাচ্ছে, তারপর থেকে তাঁদের সম্পর্কে চিড় ধরে। পুলিশের অনুমান, সেই কারণেই এদিন চন্দনের ওপর হামলা চালায় শেরুর গ্যাংয়ের সদস্যরা। আর তাতেই মৃত্যু হয় চন্দনের।