Balasore Self Immolation Case: ওডিশার বালাসোরের ফকির মোহন কলেজে ক্যাম্পাসে ( Fakir Mohan Autonomous College) ছাত্রীর নিজের গায়ে আগুন ধরিয়ে আত্মহত্যা করার ঘটনা নিয়ে দেশজুড় নিন্দার ঝড় বয়ে গিয়েছে। এইমসের (AIIMS) হাসপাতালে বালাসোরের নির্যাতিতার মৃত্যুতে দেশের সব মহলে শোকের ছায়া। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, এই ঘটনাকে সংগঠিত হত্যা বলে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন। এক্স প্ল্যাটফর্মে রাহুল গান্ধী লিখলেন, "একটা ব্যর্থ সিস্টেম কীভাবে কারও জীবন কাড়তে পারে তা ভাবতে আরও বেশি বিরক্তিকর লাগে। সবচেয়ে বেদনাদায়ক বিষয় হল এটি কোনও দুর্ঘটনা ছিল না বরং এমন একটি সিস্টেমের ফল যা সাহায্য করার পরিবর্তে নীরব ছিল। সুবিচারের জন্য লড়াই করতে করতে সেই ছাত্রী শেষ পর্যন্ত তার চোখ বন্ধ করে ফেলেছে।'এই ঘটনার প্রতিবাদে আগামী বৃহস্পতিবার ওডিশা বনধের ডাক দিয়েছে কংগ্রেস। এই ঘটনায় রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্য়াগেরও দাবি করেছে হাত শিবির।
বৃহস্পতিবার ওডিশায় ২৪ ঘণ্টার বনধের ডাক কংগ্রেসের
ভূবনেশ্বর, বাালসোর সহ রাজ্যের বিভিন্ন অংশে চলছে বিভোভ কর্মসূচি। রাজ্য়ের প্রধান বিরোধী দল বিজু জনতা দলের কর্মীরা বড় প্রতিবাদ সভা, কর্মসূচি করেছে। এই ঘটনায় এবিভিপি (বিজেপির ছাত্র সংগঠন) জড়িত তাকার অভিযোগ তুলেছে রাজ্যের বিরোধীরা। বালাসোরের ছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় যেভাবে দেশজুড়ে ক্ষোভ, হতাশা তৈরি হয়েছে তা নিয়ে চাপে বিজেপির ডবল ইঞ্জিন সরকার। বিজেপির দাবি, বালাসোরের ঘটনা মর্মান্তিক ঠিকই, কিন্তু রাহুল গান্ধী ও বিরোধী দলের নেতারা পুরো ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক ফয়দা তোলার চেষ্টা করছেন। এই বিষয় নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয় পদ্মশিবিরের।
দেখুন এই ঘটনায় এক্সে কী লিখলেন রাহুল গান্ধী
Congress MP & LoP Rahul Gandhi blames Odisha BJP govt for Balasore student's death by self-immolation pic.twitter.com/Wea5dXqiT3
— ANI (@ANI) July 15, 2025
দেখুন ঠিক কী ঘটেছিল
Balasore, has died after setting herself on fire. She had accused her college professor of sexual harassment in a letter on July 1 and said she would take her life if no action was taken. #odisha #sexualharassmentcase #balasore pic.twitter.com/y6xVGBs1ZK
— THE WEEK (@TheWeekLive) July 15, 2025
ঠিক কী ঘটেছিল
বালাসোরের কলেজে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুলে কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে নালিশ জানিয়েছিলেন। কিন্তু অনেক আবেদন, প্রতিবাদের পরেও সেই নির্যাতিতার অভিযোগ কানে তোলেননি কলেজের প্রিন্সিপাল দিলীপ ঘোষ। এই ক্ষোভে কলেজ ক্যাম্পেসের মধ্যেই নিজের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আতহত্যার চেষ্টা করেন। কলেজেরই একটি ছেলে মেয়েটিকে বাঁচানোর চেষ্টা করে। দেহের ৯০ শতাংশ পুড়ে যায় নির্যাতিতার। প্রথমে জেলা হাসপাতালে ভর্তির পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ভূবনেশ্বরের এইমসে ভর্তি করা হয়। গত কয়েক দিন মৃত্যুর সঙ্গে কঠিন লড়ার পর নির্যাতিতা গতকাল রাতে মারা যান। তাঁর আগে মেয়েটিকে দেখতে ওডিশা সফররত রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ভূবনেশ্বরের এইমসে যান।