গাফিলতিটা কি তাহলে এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India Fligh Crash) পক্ষ থেকেই ছিল? কারণ আহমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনার ৯ দিন বাদে অবশেষে এয়ার ইন্ডিয়ার তিন শীর্ষকর্তাকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিল কেন্দ্রের অসামরিক বিমান পরিবহণ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ডিজিসিএ। আসলে তাঁদের ওপর ক্রু মেম্বার সহ বিমানকর্মীদের ডিউটি রোস্টার নির্ধারণ করার দায়িত্ব ছিল। আর ঘটনার আগে থেকেই এই দায়িত্ব তাঁরা সঠিকভাবে পালন করছিলেন না। সেই কারণে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিল ডিজিসিএ। সেই সঙ্গে এয়ার ইন্ডিয়ার অ্যাকাউন্টেবল ম্যানেজারকে এই সংক্রান্ত বিষয়ে শোকজের নোটিশও ধরিয়ে দিয়েছে কেন্দ্র।
তিন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত
জানা যাচ্ছে, ডিরেক্টরেট অফ অপারেশনস ক্রু শিডিউলিং ম্যানেজার পিঙ্কি মিত্তল, ক্রু শিডিউলিংয়ের পায়েল আরোরা এবং এয়ার ইন্ডিয়ার ডিভিশনাল ভাইস প্রেসিডেন্ট চূড়া সিংয়ের বিরুদ্ধে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, বাধ্যতামূল লাইসেন্স ছাড়া বা সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও সেই সমস্ত কর্মীদের ডিউটি দেওয়া, কর্মীদের নুন্যতম বিশ্রামের সময় না দিয়ে অতিরিক্ত কাজ চাপানো সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে এই তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এই নিয়ে এয়ার ইন্ডিয়া খোদ অন্তবর্তী তদন্ত করে সেই রিপোর্ট ডিজিসিএ-তে জমা দিয়েছিল। তারপরেই সংস্থার তরফ থেকে তিনজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
অ্যাকাউন্টেবল ম্যানেজারকে শোকজ
সেই সঙ্গে তাঁরা এই ঘটনা কেন ঘটিয়েছে, এবং গত ১৬ মে ও ১৭ মে বেঙ্গালুরু থেকে লন্ডনগামী দুটি এ-১৩৩ ফ্লাইট পরিচালনা করেছিলেন তিনি, তাও নির্ধারিত সময়সীমা ১০ ঘন্টা অতিক্রম হওয়ার পর, কেন এবং কার নির্দেশে তিনি অতিরিক্ত কাজ করেছেন, এই কারণ জানতে শোকজের উত্তর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অ্যাকাউন্টেবল ম্যানেজারকে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে এর উত্তর দিতে বলা হয়েছে। সময়সীমার মধ্যে উত্তর না এলে ডিজিসিএ যে কোনও চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে, এবং একতরফাও হতে পারে বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছে।