5 Big Headlines In 2020: ফিরে দেখা ২০২০! আম্ফান ঘূর্ণিঝড় থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরার লড়াইয়ে স্তম্ভিত হয় বিশ্ব

5 Big Headlines In 2020: করোনাভাইরাস। এই সংক্রমণটাই ২০২০ সালটাকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে রয়েছে যেন, যা লেখা থাকবে ইতিহাসের পাতায়। চলতি বছরের শুরুতে ধরা পড়েছিল কেরলে এই ভয়ঙ্কর ভাইরাস। এরপর ধীরে ধীরে গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে দেশে। কেড়ে নিয়েছে হাজার হাজার মানুষের প্রাণ। করোনার সংক্রমণ রুখতে লকডাউন জারি করে মোদি সরকার। কারণ সামাজিক দূরত্ব ছাড়া এই রোগকে প্রতিহত করার কোনও উপায় আজ পর্যন্ত আবিষ্কার করে উঠতে পারেননি গবেষকেরা। লকডাউনের জেরে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হন পরিযায়ী শ্রমিকেরা, তাদের বাড়ি ফেরার লড়াই দেখে স্তম্ভিত হয় গোটা দেশ। স্মৃতির পাতায় ফিরে গিয়ে দেখে নেওয়া যাক, কী কী কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে দেশ ২০২০-তে।

করোনাভাইরাস

চিনে এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের দেখা মিলেছিল ২০১৯-এ, দেশে ধরা পড়ে ৩০ জানুয়ারি কেরলে; উহান ফেরত এক পড়ুয়ার শরীরে মেসে করোনাভাইরাস। মার্চ থেকে এরপর তীব্র গতিতে ছড়িয়ে পড়ে দেশে করোনা সংক্রমণ, বছরের শেষ লগ্নে এসে দেড় কোটি ছাড়াল কোভিড আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।

পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়ি ফেরার লড়াই

করোনা সংক্রমণ রুখতে জারি হল লকডাউন, কয়েক ঘণ্টার ঘোষণায় থমকে গেল গোটা দেশ। কাজ হারিয়ে স্ত্রী-ছেলে-মেয়ে নিয়ে পায়ে হেঁটে নিজেদের রাজ্যে ফেরার লড়াই কাঁদিয়ে তুলেছিল বিশ্ববাসীকে। পেটে খিদে নিয়ে বেঁচে থাকার লড়াই চালিয়েছিলেন তাঁরা। হাজার হাজার কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে নিজেদের গ্রামে ফিরেছিলেন পরিযায়ী শ্রমিকেরা। তাদের এই কঠিন লড়াইয়ের শেষলগ্নে মাথার উপর ছাতার মত হয়ে এসে দাঁড়িয়েছিলেন সোনু সুদ।

লাদাখে ভারত- চিন সংঘর্ষ 

চলতি বছরের জুনে পূর্ব লাদাখের গলওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চিনের সেনার মধ্যে সংঘর্ষ হয়, দীর্ঘ ৪৫ বছর পর দু'দেশের সীমান্ত সংঘর্ষে সেনার মৃত্যু হয়। ভারতীয় তরফে কর্নেল-সহ ২০ জন এবং চিনের তরফে ৪৩ জন হতাহত বলে জানা যায়। ভারতের দাবি ছিল, চিন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা না-মানার ফলেই লাদাখের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়েছে; চিনের অবশ্য পাল্টা দাবি ছিল, ১৫ জুনের রাতের গোটা ঘটনার পিছনে ভারতের প্ররোচনা রয়েছে।

আম্ফান ঘূর্ণিঝড়

চলতি বছরের মে মাসে ১৩০ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসা ঝড়ে লন্ডভন্ড হয় যায় কলকাতা। ল্যাম্পপোস্ট, বিদ্যুতের খুঁটি, ট্রাফিক সিগন্যাল নিয়ে উপড়ে পড়েছে কয়েক'শো গাছ; গড়িয়াহাটার গাছ উপড়ে পড়েছে ট্রামলাইনের তারে, ওয়েলিংটনে ভেঙে পড়ে ট্রাফিক সিগন্যাল। এমন ছবি হয়তো আগে কোনওদিন দেখেনি শহর কলকাতা।  তীব্র ঝড়ে ভেসে যায় কুমোরটুলি, দুর্গাপুজোর আগেই হয় মায়ের বিসর্জন।

রামমন্দিরের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন 

৪০কিলোর রুপোর ইট গেঁথে ১৬১ ফুট উচ্চতা সম্পন্ন রাম মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন নরেন্দ্র মোদি। ২০১৯-র নভেম্বরে  সুপ্রিম রায় অযোধ্যার বিতর্কিত জমিতে রাম মন্দির নির্মাণের পক্ষেই যায়, যেখানে একদা বাবরি মসজিদ ছিল, সেখানেই তৈরি হবে রাম মন্দির। সুপ্রিম কোর্টে সাত দশকের পুরনো অযোধ্যার বিতর্কিত জমির মামলার রায়কে মেনে নেয় সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড, সুপ্রিম নির্দেশে অযোধ্যার অন্যত্র মসজিদ নির্মাণের জন্য সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে দেওয়া হয় ৫ একর জমি।