সামনেই বিহারে বিধানসভা নির্বাচন। বিরোধীদের প্রতিবাদ সত্ত্বেও এই রাজ্যে নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধনী প্রক্রিয়ার কাজ সফলভাবে শেষ করতে চলেছে। ফলে আগামী বছর বাংলায় নির্বাচনের আগেও যে এই প্রক্রিয়া শুরু হবে, তা বুঝতে পারছে রাজ্যবাসী। আর সেই কারণে ইতিমধ্যেই এই এসআইআর-এর কড়া বিরোধীতা করছে বাংলার শাসক দল। এই নিয়ে জনমত গঠনের চেষ্টা করছে তাঁরা। অন্যদিকে চুপ বসে নেই কংগ্রেসও (Congress) । শনিবার ভোটার তালিকা বিশেষ নিবিড় সংশোধনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখাল যুব প্রদেশ কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা।
ধর্মতলায় কংগ্রেসের বিক্ষোভ
শনিবার রাজভবনের অভিযানে এই নিয়ে প্রতিবাদ করে যুব কংগ্রেস। যদিও ধর্মতলাতেই তাঁদের মিছিল আটকে দেয় পুলিশ। তারপরে সেখানেই বিক্ষোভ দেখান কর্মী সমর্থকেরা। তবে শুধু এসআইআর ইস্যু নয়, ভিনরাজ্যে বাঙালি হেনস্থা নিয়েও এবার প্রতিবাদ করতে দেখা যাচ্ছেো হাত শিবিরকে। এতদিন পর্যন্ত এই ইস্যুতে রাস্তায় নেমে দফায় দফায় প্রতিবাদ করছিল তৃণমূল। অন্যদিকে বাম ও কংগ্রেস শিবিরের নেতাদের এই নিয়ে সেভাবে মুখ খুলতে দেখা যায়নি। তবে এবার রাস্তায় নামতে দেখা গেল হাত শিবিরকেও। ভিনরাজ্যে বাঙালি হেনস্থা নিয়ে প্রতিবাদ করছেন তাঁরাও।
প্রতিবাদে নামছে প্রদেশ কংগ্রেসও
এমনিতেই এই রাজ্যে বাসিন্দাদের কাছে কংগ্রেসের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। কালীগঞ্জের মতো সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় উপনির্বাচনেও বিজেপির জনপ্রিয়তা ছাপিয়ে যেতে তাঁরা ব্যর্থ। তবে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তাঁরা বিজেপিকে একচুলও জমি ছাড়তে রাজি নয়। আর সেই কারণে তাঁরাও যে একাধিক ইস্যুতে প্রচারে থাকতে চায়, সেকথা স্পষ্ট। আর তাই এবার তৃণমূলের তুলে ধরা ভিনরাজ্যে বাঙালি হেনস্থা ইস্যু হোক বা এসআইআরের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, উল্লেখযোগ্যভাবে এবার বাংলাতে হাত শিবিরকেও বাইরে বেরোতে দেখা যাচ্ছে।