COVID-19-Cases In West Bengal: উত্তর ২৪ পরগনায় লাগামছাড়া সংক্রমণ নিয়ে রাজ্যে করোনার গ্রাসে ১ লাখ ৭১ হাজার ৬৮১ জন
ভারতে করোনাভাইরাস (Photo Credits: PTI)

কলকাতা, ৪ সেপ্টেম্বর: দেশে প্রতিদিন হু হু করোনার সংক্রমণ বাড়ছে (COVID-19-Cases In West Bengal)। একদিনে আক্রান্তর পরিসংখ্যান দেখলে বুক কেঁপে উঠবে সন্দেহ নেই। রাজ্যের অবস্থাও তেমনই। তবে সুস্থতার হার আশা জাগাচ্ছে। বৃহস্পতিবার সারাদিনে পশ্চিমবঙ্গে করোনা আক্রান্ত হলেন ২৯৮৪ জন। মারণ রোগের বলি ৫৫ জন। তবে সপ্তাহভর উত্তর ২৪ পরগনায় সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি রাজ্য প্রশাসনকে চিন্তায় রেখেছে। কলকাতায় যেখানে নতুন সংক্রামিত ৪৭১ জন সেখানে উত্তর ২৪ পরগনায় সেখানে ৭৩১ জন নতুন করোনা রোগী। যদিও মৃত্যুর নিরিকে শীর্ষে কলকাতা। গতকাল সেখানে করোনার বলি ১৫ জন। অন্যদিকে উত্তর ২৪ পরগনায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া হুগলিতে লাগামছাড়া সংক্রমণ বিরক্ত মুখ্যমন্ত্রী। এখনও কেন সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙছে না তানিয়ে সংশয় বাড়ছে।

এই মুহূর্তে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ৭১ হাজার ৬৮১ জন। সেরে উঠেছেন এক লক্ষ ৪৪ হাজার ২৪৮ জন। কোভিডে মৃত্যু হয়েছে মোট তিন হাজার ৩৯৪ জনের। এখন বাংলায় ২৪ হাজার ৩৯ জনের শরীরে করোনা সক্রিয় রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বত্রই সংক্রমণ ছড়িয়েছে। তবে করোনা টেস্ট বেড়ে যাওয়া সংক্রমণের প্রকৃত ছবিটা ধীরে হলেও সামনে আসছে। গত দেড় মাস ধরেই ধাপে ধাপে বাংলায় নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ছিল। তিরিশ হাজারের কোটা পেরিয়ে কয়েক গত সপ্তাহেই ৪০ হাজারের কোটায় ঢুকে পড়েছিল রাজ্য। এদিনের বুলেটিন বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৫ হাজার ২৯১টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে এখনও পর্যন্ত প্রতি মিলিয়ন জনসংখ্যায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে সাড়ে উনিশ হাজারের কিছু বেশি মানুষের। সেখানে ভারতে প্রতি মিলিয়ন জনসংখ্যায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৭ হাজার জনের। অর্থাৎ জাতীয় গড়ের থেকে প্রায় সাড়ে সাত হাজার কম নমুনা পরীক্ষা হয়েছে রাজ্যে। আরও পড়ুন- Nirmal Majhi: মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাজ্যের শ্রম প্রতিমন্ত্রী নির্মল মাঝি

মারণ ভাইরাসে এরাজ্যে মৃত্যুর সংখ্যাও নেহাত কম নয়। এখনও পর্যন্ত ৩ হাজার ৩৯৪ জন এখানে করোনার বলি। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গিয়েছেন ৫৫ জন। এর মধ্যে শুধু কলকাতাতেই মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের। হাওড়ায় ৬ জনের। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় মারা গিয়েছেন যথাক্রমে ১২ ও ৫ জন। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিংয়ে ১ জন মারা গিয়েছেন। জলপাইগুড়িতে মারা গিয়েছেন ১ জন। মুর্শিদাবাদে মারা গিয়েছেন ১ জন। নদীয়াতে মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। বাঁকুড়া ও বীরভূমেও ১ জন করে মারা গিয়েছেন। পুরুলিয়াতে মৃত ২ জন। পূর্ব মেদিনীপুরে ও পশ্চিম মেদিনীপুরে যথাক্রমে ৩ ও ১ জন করে মারা গিয়েছেন। পশ্চিম বর্ধমানেও ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। হুগলিতে মারা গিয়েছেন ৩ জন।