বেলাগাম মন্তব্যের জেরে হামেশাই বিতর্ক ছড়াচ্ছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। কয়েকদিন আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের শিরোচ্ছেদের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি। সেই রেশ কাটতে না কাটতে এবার হিন্দুধর্মের একশ্রেণীর মানুষদের নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করে বসলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ। করিমপুরে একটি জনসভা থেকে তাঁর মন্তব্য নিয়ে নয়া বিতর্ক শুরু করেছে বঙ্গ বিজেপি। ইতিমধ্যেই সেই ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি লেটেস্টলি বাংলা। তবে এই ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, মহুয়া মৈত্র হিন্দুবিদ্বেষী নেত্রী।
মহুয়া মৈত্রের মন্তব্য
জানা যাচ্ছে, গত ২৮ অগাস্ট করিমপুর ২ নম্বর ব্লকের একটি সভায় মহুয়া বলেন, “কাজের সময় মমতা, রাস্তার সময় মমতা, আর ভোট যায় অন্য কোথাও”। তাঁর মতে, স্বাস্থ্যসাথী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো প্রকল্পগুলি চালু হলে সেগুলি সুবিধা নিতে কাঁঠের মালা পড়ে অনেকেই সুবিধা নিচ্ছেন। এদিকে ভোটের বেলায় অন্য দলকে দেওয়া হচ্ছে। এক একটি এসসি, মথুয়া বা নমশুদ্র বুথে ভোটবাক্স খুললে ১০০টা ভোটের মধ্যে ৮৫টি বিজেপিতে যাচ্ছে, আর বাকি ভোট অনান্যগুলিতে। এসব কী হচ্ছে। ভোটের আগে তৃণমূলী, ভোট হলেই সনাতনী।
দেখুন মহুয়া মৈত্রের মন্তব্য
On 28th August, at a Trinamool workers’ meet in Karimpur Block-2, TMC MP Mahua Moitra made shocking and shameful remarks against Sanatanis, specifically targeting the Namasudra community.
She mocked Hindus by saying: “All year you’re Trinamooli, and during elections Sanatani?” —… pic.twitter.com/J4s0V9YKlL
— Amit Malviya (@amitmalviya) August 31, 2025
দেখুন শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য
Midnapore, West Bengal: Reacting to TMC MP Mahua Moitra's statement on Union Home Minister Amit Shah, West Bengal LoP Suvendu Adhikari says, "She keeps doing this daily. Today also, insulting Hinduism, abusing Hindu goddesses, leaking the Parliament password to foreign countries.… pic.twitter.com/2Dg4iO0zss
— IANS (@ians_india) August 31, 2025
সমালোচনা শুভেন্দু অধিকারীর
মহুয়ার এহেন মন্তব্যের কড়া বিরোধীতা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “হিন্দু ধর্মের অপমান, দেবদেবীর অপমান এসবই করেন। কয়েকটিদিন আগে অমিত শাহের মাথা কেটে দেওয়ার কথা বলেছিলেন উনি। এসব কোনও রাজনৈতিক নেতা বা সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা হতে পারে? বিএনএস ধারায় অভিযোগ করা উচিত ছিল। ওঁর মুখে এরকমই কথা। লোকসভায় সাসপেন্ড হওয়ার পরেও লজ্জা নেই। কেন্দ্র সরকারের কোনও প্রকল্পের সুবিধা কি তৃণমূলের কর্মী, সমর্থকরা নিচ্ছে না? তাই বলে আমরা কী রাজনৈতিক রং দেখে প্রকল্পের সুবিধা দিচ্ছি”?