ওয়াকফ সংশোধনী বিল পেশের পর থেকেই অশান্ত রয়েছে মুর্শিদাবাদ। দফায় দফায় সংঘর্ষ বাধছে জেলার বিভিন্ন এলাকা। গত বৃহস্পতিবার মৌলালীর সভাস্থল থেকে রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি (Siddiqullah Chowdhury) জেলাকে টাইট করার নিদান দেওয়ার পর থেকেই আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদ। জঙ্গিপুরের পাশাপাশি সুতি, ধুলিয়ান কার্যত রণক্ষেত্র চেহারা নিয়েছে। বিকেল থেকে সামশেরগঞ্জেও বিক্ষোভ শুরু হয়। বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের খণ্ডযুদ্ধ হয়। চলে ইটবৃষ্টি, বোমা। এই অশান্তির কারণে জখম হয়েছে ফারাক্কার এসডিপিও মনিরুল ইসলাম খান।

সিদ্দিকুল্লা চৌধুরির গ্রেফতারির দাবি করলেন সুকান্ত মজুমদার

এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, "পশ্চিমবঙ্গকে মুুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিহাদিদের হাতে তুলে দিয়েছেন। সেই কারণে বাংলার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি যেভাবে গতকাল জেলাকে টাইট করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তারপর তাঁকে গ্রেফতার করে জেলে ভরে দেওয়া উচিত ছিল। আজ তাঁর ওই বক্তব্যের পর মুর্শিদাবাদ উত্তপ্ত হয়েছে। ভাঙচুড় চালানো হয়েছে সর্বত্র"।

দেখুন সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য

ট্রেন বন্ধ নিয়ে সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য

সুকান্ত আরও বলেন, "এই ঘটনার জেরে মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন স্টেশনে কমপক্ষে ৫টি দুরপাল্লা ট্রেন বন্ধ রয়েছে। যাত্রীদের অসহায় অবস্থা। এছাড়া কমপক্ষে ১০ থেকে ১২ জন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। তারপরেও পুলিশ কিছু করছে না। গুলি করছে না। বন্দুকগুলি কি বিয়েবাড়িতে ফাটানোর জন্য রাখা হয়েছে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উচিত অবিলম্বে কেন্দ্রের সঙ্গে কথা বলে প্যারা মিলিটারি ফোর্স রাজ্যে নিয়ে আসা"।