মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সাম্প্রদায়িক অশান্তিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। হাইকোর্টের নির্দেশে অশান্ত এলাকায় মোতায়েন করা হবে বাহিনীর জওয়ানদের। যদিও হাইকোর্টে যে রাজ্য সরকার ধাক্কা খাবে তা আগে থেকে বুঝতে পেরেই শনিবার সকালে ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা করেছিল পুলিশ। ডিজি রাজীব কুমার সাংবাদিক সম্মেলন করে আশ্বস্ত করেছিল যে জঙ্গিপুর, সুতির মতো জায়গাগুলির পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। গুন্ডাগিরি দমন করার চেষ্টা করছে পুুলিশ। তবে তাতেও চিড়ে ভেজেনি। আদালত নির্দেশ দেয় পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকেই প্রয়োজন।

হাইকোর্টের নির্দেশে মুর্শিদাবাদে কেন্দ্রীয় বাহিনী

হাইকোর্টে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের বিরোধীতা করতে গিয়ে মুখ পুড়েছে রাজ্য সরকারের। সরকার পক্ষের আইনজীবীর মন্তব্য, "রাজ্য সরকার আগেই বিএসফ নিরাপত্তা দেবে বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারীদের সম্ভবত বিএসএফের ওপর ভরসা নেই। যদিও বিএসএফও কেন্দ্রেরই বাহিনী। তবে হাইকোর্ট তাঁদের আবেদন অনুযায়ী অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে"।

দেখুন আইনজীবীর বক্তব্য

দেখুন শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য

রাজ্য পুলিশের ওপর আস্থা নেই শুভেন্দু অধিকারীর

এদিকে এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, "রাজ্য পুলিশ যতই বলুক না কেন, পরিস্থিতি তাঁদের হাতের বাইরে চলে গিয়েছে। হামলায় আহত হচ্ছেন পুলিশকর্মীরাও। আমি প্রথমে রাজ্যপালের কাছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য চিঠি লিখেছিলাম। গতকাল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও আবেদন করি। কিন্তু কোনও লাভ না হওয়ায় আজ আদালতে বাধ্য হয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি জানিয়ে আবেদন করেছিলাম"।