বুধবার বিকেলে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা সল্টলেকের (Salt Lake Road Accident) একে ব্লকে। একটি চারচাকা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেলিংয়ে ধাক্কা মারে। আর সেই রেলিংয়ের ধারেই বাইক নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক যুবক। দুর্ঘটনায় আহত হয় সেও। এরমধ্যেই গাড়ি থেকে আগুন বেরোতে থাকে। আর সেই আগুনে জীবন্ত অবস্থায় ঝলসে যায় আহত যুবক। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। অন্যদিকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় গাড়ির তিন যাত্রী ও চালককে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও দমকল বাহিনী দেরিতে আসার কারণে ক্ষুব্ধ জনতা বিক্ষোভ শুরু করে। পুলিশকে দেখে ইটবৃষ্টি শুরু করে ক্ষুব্ধ জনতা। পাল্টা কাঁদানে গ্যাসের সেল ছোড়া হয় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে। গোটা ঘটনায় উত্তর নতুন ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা।

গাড়ির যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়

জানা যাচ্ছে, এদিন বিকেলের দিকে নতুন ব্রিজের কাছে রেলিংয়ে ধারে বাইক নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক ডেলিভারি বয়। উল্টোদিক থেকে একটি গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাইকে ধাক্কা মারে। সঙ্গে সঙ্গে গাড়িতে আগুন লাগতে শুরু করে। স্থানীয় বাসিন্দারা তড়িঘড়ি ট্রাফিক পুলিশকে খবর দেয়। সেই সঙ্গে দমকলেও দেওয়া হয় খবর। বিধাননগর পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করে। ততক্ষণেও আগুন সেভাবে ভয়াবহ আকার ধারণ করেনি। আহত অবস্থায় ৩-৪ জনকে উদ্ধার করা হয়। কিন্তু ততক্ষণে বাইক চালককে উদ্ধার করা যায়নি।

দমকল দেরিতে আসায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দা

এলাকাবাসীদের অভিযোগ, খবর দেওয়ার অনেকক্ষণ পরে ঘটনাস্থলে আসে দমকলের দুটি ইঞ্জিন। ততক্ষণে গাড়ির আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে। আর তাতেই জ্বলে যায় যুবকের দেহ। আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় তাঁর। অন্যদিকে পুড়ে ছাঁই ঘাতক গাড়িটিও। দমকলে দেরিতে আসা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থার গাফিলতির কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। আর সেই কারণে পুলিশ ও দমকলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করেন তাঁরা। জনতার হামলার মুখে পড়ে পুলিশ। আর সেই কারণে একে ব্লকে দীর্ঘক্ষণ বন্ধ থাকে যান চলাচল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও ঘটনাস্থলে এখনও মোতায়েন বিরাট পুলিশ বাহিনী।