Management Student Allegedly Raped in IIM Joka Boys Hostel (Photo Credits: X)

কলকাতা, ১৩ জুলাইঃ আইআইএম জোকা (IIM Joka) ধর্ষণকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। নির্যাতিতার তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত পড়ুয়া গ্রেফতার হয়েছে। ধর্ষণের ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। IIM কর্তৃপক্ষের কাছে বয়েজ হোস্টেলের সিসিটিভি ফুটেজ চাওয়া হয়েছে। অভিযোগ, বয়েজ হোস্টেলের রুমেই বেহুঁশ করে তরুণীকে ধর্ষণ করেছেন জোকায় ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্টের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। ঘটনাস্থলে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করছে ফরেন্সিক দল। সিল করা হয়েছে ওই রুম।

ধর্ষণের ঘটনা সামনে আসা এবং পুলিশের তদন্ত শুরুর পর এবার নির্যাতিতার বাবা চমকপ্রদ বয়ান দিলেন। তিনি দাবি করেন, ধর্ষণ কিংবা শারীরিক নির্যাতনের মতো কোন ঘটনা ঘটেইনি তাঁর মেয়ের সঙ্গে। নির্যাতিতার বাবা জানান, শুক্রবার রাত ৯টা ৩৪ মিনিট নাগাদ তাঁর কাছে একটি ফোন আসে। তাঁকে জানানো হয়, তাঁর মেয়ে অটো থেকে পড়ে গিয়েছে। অটো থেকে পড়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেম। এও জানানো হয়, এসএসকেএম হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগে তাঁর মেয়েকে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে এনেছে। এমনকি হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পর মেয়ে তাঁকে জানান, তাঁর সঙ্গে ধর্ষণ কিংবা শারীরিক নির্যাতনের মতো কোন কিছুই হয়নি। নির্যাতিতার বাবার বক্তব্যের পর গোটা ঘটনা ঘিরে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

ধর্ষণ আদেও হয়নি!

১৯ জুলাই পর্যন্ত ধৃত ছাত্রকে পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। ধৃতের আইনজীবীও আদালতের জানিয়েছেন, তরুণী একজন কাউন্সেলর ছিলেন। অনলাইনে তাঁর সঙ্গে আইআইএম ছাত্র যোগাযোগ করেছিলেন। এরপর ছাত্রের কাউন্সেলিংয়ের জন্যে শুক্রবার তিনি কলেজের বয়েজ হোস্টেলে গিয়েছিলেন।

যদিও পুলিশের দাবি, তরুণী নিজে হরিদেবপুর থানায় এসে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি প্রথমে ঠাকুরপুকুর থানায় অভিযোগ দায়ের করতে এসেছিলেন। সেখান থেকে তাঁকে হরিদেবপুরে পাঠানো হয়েছিল। অভিযোগে তরুণী জানান, কাউন্সিলিংয়ের নাম করে তাঁকে বয়েজ হস্টেলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে পিজ্জা এবং ঠাণ্ডা পানীয় দেওয়া হয়। তা খাওয়ার পরেই ধীরে ধীরে আচ্ছন্ন হয়ে পড়তে শুরু করেন তিনি। এরপর যখন তাঁর জ্ঞান ফেরে তিনি তখন হোস্টেলে পড়ে রয়েছেন। তাঁকে বেহুঁশ করে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তরুণী।