Durga Puja 2019: কলকাতার পুজোয় এবার বালাকোট বিমান হামলা, স্বাগত জানাবে অভিনন্দন বর্তমান-এর মূর্তি!
কলকাতার পুজোয় এবার থিম বালাকোট এয়ারস্ট্রাইক। (Photo Credits: Pixabay)

কলকাতা, ১৫ সেপ্টেম্বর: কলকাতার পুজোয় (Kolkata Durga Puja) এবার থিমের ভিড়ে বালাকোট বিমান হামলা (Balakot Airstrike) চমক। ঠাকুর দেখতে দেখতে হঠাৎ চোখের সামনে হাজির হতে পারে বালাকোট বিমান হামলা। গত ফেব্রুয়ারিতে ভারতীয় বায়ুসেনার যে হামলায় পাকিস্তানের জঙ্গিরা ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। এবার দুর্গাপুজোয় মধ্য কলকাতার এক সার্বজনীন দুর্গাপুজোয় থাকছে ভারতীয় সেনার বালাকোট অভিযান। পুজোর ৫০ বছরের পূর্তিতে বিশেষ আয়োজনে মডেল ও ডিজিটাল প্রজেকশনের মাধ্যমে বালাকোট বিমান হামলার ঘটনাকে ফুটিয়ে তোলা হবে।

বালাকোট বিমান হামলায় বীর অভিনন্দন বর্তমান আলো করে থাকবেন মণ্ডপজুড়ে। উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমানের পূর্ণাঙ্গ সাইজের মডেল মণ্ডপের বাইরে সাজানো থাকবে। মডেল অভিনন্দন বর্তমান দর্শনার্থীদের স্বাগত জানাবেন।  জঙ্গি ঘাঁটির আশপাশে অবস্থিত জঙ্গল তৈরি করা হবে ডিজিটাল প্রোজেকশেনর সাহায্যে। ঠিক যেমনটা বালাকোট বিমান হামলার স্থলেও ছিল বলে মানচিত্রের মাধ্যমে দেখা গিয়েছে। আরও পড়ুন- চলতি বছরে ২ হাজারেরও বেশি বার গুলি চালিয়েছে পাকিস্তান, মৃত্যু হয়েছে ২১ ভারতীয়র

কীভাবে সাজানো হবে এই প্যান্ডেল- আয়োজকরা জানালেন, বায়ুসেনা আধিকারিক, পলাতক ও মৃত জঙ্গিদের ফুটিয়ে তোলা হবে কম-বেশি মোট পঁয়ষট্টিটি মডেলের সাহায্যে। মণ্ডপের বাইরে বভিন্ন জায়গায় ওই মডেলগুলি থাকবে। পাশাপাশি বায়ুসেনার এক যুদ্ধবিমানের মডেলও সেখানে রাখা থাকবে। সবার মধ্যে বায়ুসেনার কীর্তি ছড়িয়ে দেওয়া, আর যুদ্ধবিমান নিয়ে ছোটদের শিক্ষিত করার লক্ষ্যেই এই প্য়ান্ডেল করা হচ্ছে বলে আয়োজকরা জানান।

একটা সময় শহরের দুর্গাপুজোয় সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে প্যান্ডেল, লাইটিংটা একেবারে কমন ছিল। থিমপুজোয় শিল্প, অভিনবত্বের ছোঁয়ায় এখন শহরের দুর্গাপুজোয় সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে প্যান্ডেল কিছুটা কম দেখা যায়। তবে এবার কলকাতার বিভিন্ন পুজোয় উঠে আসছে সাম্প্রতিক বিষয়।

মধ্য কলকাতার এক প্যান্ডেলে যখন বালাকোট হামলার অনুকরণ করে ভারতীয় সেনার কর্তৃত্বের কথা তুলে ধরা হচ্ছে। তখন উত্তর কলকাতার কৈলাস বোস স্ট্রিটে কলকাতা পুলিশকে সম্মান জানিয়ে হচ্ছে প্যান্ডেলষ কলকাতা পুলিশের বোম্ব স্কোয়াড, মাউটেন্ড পুলিশ শাখা, রিভার ট্র্যাফিক পুলিশ, সাইবার ক্রাম সেল-সব শাখাগুলোর কাজের কথা তুলে ধরা হবে ডিজিটাল প্রোজেকশন ও মার্টির মূর্তির মাধ্যমে।