পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালনের জন্য ভবানীপুরে বিজেপির মিছিল ঘিরে দুপুর থেকে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ছিল। সেই মিছিল কোনওমতে শেষ করে চিকিৎসক রজতশুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি যেতে গিয়ে ফের পুলিশি বাধার মুখোমুখি হয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। প্রথমে পুলিশ বাধা দেয়। এরপর যখন চিকিৎসক খোদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে পূর্ণ সিনেমা হলে সামনে গিয়ে দেখা করতে যান, তখন দুজনকেই আটক করা হয়। সেই সঙ্গে ২৫ জন বিজেপি নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে লালবাজারের পোদ্দার কোর্ট সংলগ্ন এলাকায় চরম প্রতিবাদ দেখাতে শুরু করে বিজেপির নেতা, কর্মী সমর্থকরা।

লন্ডনে মুখ্যমন্ত্রীর সামনে প্রতিবাদ করেছিলেন রজতশুভ্র

বলে রাখা ভালো এই রজতশুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায় হলেন লন্ডনে কর্মরত অ্যানেস্থেসিস্ট চিকিৎসক। তবে কয়েকমাস আগে তাঁর এক কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি খবরের শিরোনামে এসেছিলেন। আসলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেলগ কলেজে বক্তৃতা দেওয়ার সময় যাঁরা প্রতিবাদ করেছিলেন। আরজি করে ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন, তাঁদের মধ্যেই একজন হলেন এই রজতশুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তাঁরই আমন্ত্রণে সুকান্ত মজুমদার যাচ্ছিলেন। তবে মাঝপথে তাঁকে আটকানো হয়। প্রসঙ্গত, এই চিকিৎসকের বাড়ি থেকে কিছুটা দূরেই তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন।

দেখুন রজতশুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য

গ্রেফতারি নিয়ে হতবাক রজতশুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

এই গ্রেফতারি প্রসঙ্গে রজতশুভ্র বলেন, “আমি জানি না কেন গ্রেফতার করা হল। পুলিশদের এই নিয়ে প্রশ্ন করা উচিত। আমরা দেখা করতে চেয়েছিলাম। এখানে আমার বা সুকান্ত মজুমদারের কী অপরাধ ছিল বলতে পারব না। পরিকল্পনা ছিল, বাড়িতে এসে উনি আমার সঙ্গে এবং আমার অসুস্থ মায়ের সঙ্গে দেখা করবেন। আমি বাড়িতে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করছিলাম। তারপর শুনলাম ওনাকে বাধা দেওয়া হয়েছে। তাই সামনে এগিয়ে যেতেই আমাদের গ্রেফতার করা হয়েছে”।