ভারতের ওপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক চাপিয়েছে আমেরিকা। সেই সঙ্গে জরিমানাও ধার্য করা হয়েছে ভারতের ওপর। এই নিয়ে বুধবার বিকেল থেকেই সরগরম দেশের রাজনীতি। সর্বত্র ত্রাহি ত্রাহি রব। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কী ভেঙে পড়বে দেশের অর্থনীতি? বিরোধী শিবির বলছে, এই সিদ্ধান্তের জেরে ধস নামবে দেশের অর্থনীতিতে। অন্যদিকে আবার বিজেপির দাবি, এই সিদ্ধান্তে আখেরে ক্ষতি হবে আমেরিকার। যেমনটা বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের (Samik Bhattacharya) বক্তব্য।

কেন্দ্রের ওপর আস্থা শমীক ভট্টাচার্যের

তাঁর মতে, “১৪০ কোটি মানুষের বৃহত্তম গনতন্ত্র ভারত। আমেরিকা একসময় এই দেশটির ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল, পরে তা প্রত্যাহার করতেও বাধ্য হয়। ট্রাম্প, যাঁর মনে হয় চাপ দিয়ে যে কোনও কিছু তিনি করতে পারেন, তাহলে তিনি ভুল ভাবছেন। যদি আমেরিকা ভারতের মতো বিশাল বাজার থেকে নিজেদের আলাদা করতে চায়, তাহলে এর ফল তাঁদেরই ভুগতে হবে”।

দেখুন শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য

ভারত-রাশিয়ার সম্পর্ক

প্রসঙ্গত, বুধবার বিকেলে ভারতের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক ও জরিমানা ধার্য করেছে আমেরিকা। যদিও বা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতকে বন্ধু বলে সম্মোধন করেছে। কিন্তু ভারত যে রাশিয়ার থেকে সঙ্গে তেল, অস্ত্র আমদানি করছে, একথা মেনে নিতে পারছেন না তিনি। সেই কারণে এই সম্পর্কের কারণেই ভারী মূল্য চোকাতে হচ্ছে ভারতকে, এদিন সেকথাই ভালোভাবে বুঝিয়ে দিলেন ট্রাম্প।