১৩০ সংবিধান সংশোধনী বিল নিয়ে বিগত কয়েকদিন ধরেই উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। আগামী বছরেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে এই বিল আইনে পরিণত হলে চাপে পড়বেন শাসক-বিরোধী দুই দলের নেতা-মন্ত্রীরাই। সেই কারণে লোকসভায় এই বিল পেশ হতেই তৃণমূল নেতৃত্ব প্রথম থেকেই বিরোধীতা শুরু করেন। অন্যদিকে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব আবার এই বিলের সমর্থন করলেও কিছু নেতা এই প্রসঙ্গ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছিলেন। যাঁদের মধ্যে নিশীথ প্রামাণিক, শুভেন্দু অধিকারীরা (Suvendu Adhikari) অবশেষে এই নিয়ে মুখ খুললেন।

কী বলছেন শুভেন্দু অধিকারী?

রবিবার শুভেন্দু এই প্রসঙ্গে বলেন, “অবশ্যই এই বিল লাগু হওয়া উচিত। দেশের সাধারণ নাগরিক চাইছে। সংবিধান দলের জন্য, দলের দ্বারা, দলের নয়, বরং জনগণের জন্য, জনগণের দ্বারা, জনগণের। ফলে জনগণ চাইলেই এই বিল আইনে কার্যকর হবে। আর সরকারি কর্মী যখন গ্রেফতার হয়, তখন তাঁকে সাসপেন্ড করা যখন হচ্ছ, তাহলে এই এক নিয়ম কেন কোনও মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে কার্যকর হবে না”।

দেখুন শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্য

শুভেন্দুর পুরোনো ক্ষত

প্রসঙ্গত, তৃণমূলে থাকাকালীন নারদাকাণ্ডে নাম জড়িয়েছিল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে জেরাও করেছিলেন কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকরা। তারপরে গত বিধানসভা নির্বাচনে দল বদলে বিজেপিতে আসতেই ধামাচাপা পড়ে তাঁর কেসের। এই নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব হামেশাই খোঁচা দেন শুভেন্দুকে। ফলে এই বিল পেশ হতেই আবারও মমতা-অভিষেকদের মুখে উঠছে নারদা প্রসঙ্গ।