কসবায় গণধর্ষণ কাণ্ডের (Kasba Gang Rape Case) তদন্তের গতিপ্রকৃতি অনেকটাই এগিয়েছে। ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে ৯ সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দলকে। যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার প্রদীপ কুমার ঘোষাল। সিট তদন্তভার পাওয়ার পরেই গ্রেফতার করা হয়েছে কলেজের কর্তব্যরত এক নিরাপত্তাপক্ষীকে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছে ৪ জন। পাশাপাশি কলেজের সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করা হয়েছে। এদিকে আবার কসবার ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক তর্কবিতর্ক শুরু হয়েছে। কারণ মূল অভিযুক্ত মনোজিৎ মিশ্র শাসক দলের ঘনিষ্ঠ। সেখান থেকেই কলেজের মধ্যে সে ছিল যথেষ্ট প্রভাবশালী। অন্যদিকে শাসক দলের পক্ষ থেকে দায় ঝাড়ানোর চেষ্টা চলছেই। যা নিয়ে দলের অন্দরেই আলাদা বিতর্ক শুরু হয়েছে।
কসবাকাণ্ড নিয়ে প্রতিক্রিয়া শমীক ভট্টাচার্যের
এই অবস্থায় বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য বলেন, রাজ্যে আইন শৃঙ্খলা বলে কিছুই নেই। রাজ্য সম্পূর্ণরূপে অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে। এখন তৃণমূল দল পুলিশের ভূমিকায় কাজ করছে এবং পুলিশ তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে। যতরকমের অপরাধী রয়েছে, অধিকাংশই তৃণমূলের ছত্রছায়ায় বড় হচ্ছে। এরা নির্বাচনের সময় লড়ে দলের জন্য ভোট নিয়ে আসে। সেই কারণে এরা দোষ করলেও কোনও শাস্তি হয় না। বরং এদের দোষ ঢাকতে তৎপর থাকে দল ও রাজ্যের পুলিশ। এরা দোষ করে, আর পুলিশ সেই দোষ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে।
দেখুন শমীক ভট্টাচার্যের মন্তব্য
#WATCH | Delhi | On South Calcutta Law College alleged gangrape case, BJP leader Samik Bhattacharya says, "There is a total absence of law and order. There is total anarchy and a breakdown of constitutional machinery. What more can we expect from politicised administration? All… pic.twitter.com/PDdp9Yf6YO
— ANI (@ANI) July 1, 2025
প্রভাবশালী মনোজিৎ
প্রসঙ্গত, মনোজিৎ সাউথ ক্যালকাটা ল’ কলেজের প্রাক্তনী ছিলেন। তার আগে কলেজ ইউনিয়নের পদেও ছিল বেশ কয়েকবছর। সেই কারণে তাঁর প্রভাব কলেজের মধ্যে যথেষ্ট ছিল। আর সেই প্রভাব খাটিয়েই কলেজ পাশ করেও অস্থায়ী কর্মী হিসেবে নিযুক্ত হয় মনোজিৎ। পাশাপাশি আলিপুর আদালতে ও সে প্র্যাকটিস করত।