ভিনরাজ্যে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দারা। সম্প্রতি এমন অভিযোগ তুলে সোচ্চার হয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২১ জুলাইয়ের সভা থেকেও এই নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন তিনি। অন্যদিকে বাংলা হয়ে বিভিন্ন রাজ্যে বাংলাদেশি (Bangladeshi) অনুপ্রবেশকারীরা ঢুকছে বলে পাল্টা অভিযোগ তুলেছে বিজেপি নেতৃত্ব। সবমিলিয়ে এই ইস্যুতেই বিগত কয়েকমাস ধরে তোলপাড় দেশের রাজনীতি। এমনকী বিহারে সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের নেতৃত্বে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া শুধু হয়েছে। যার মাধ্যমে ৫৬ লক্ষ মানুষের নাম বাদ পড়তে চলেছে। যাঁদের মধ্যে নাকি ২৮ লক্ষ মানুষ বিহারের বাসিন্দাই নয়।

তৃণমূলের অভিযোগ

অন্যদিকে অবশ্য এই প্রক্রিয়া বন্ধ করতে চাইছে বিরোধীরা। তাঁদের মূল বক্তব্য, বাদ যাওয়া নামগুলিকে রাখতে হবে ভোটার তালিকায়। কারণ এরা নাকি দেশের নাগরিক। আগামী বছরেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। ফলে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর)-এর যদি কেউ চরম বিরোধীতা করছে, সেটা একমাত্র তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, অসম, বিহার, দিল্লি, মহারাষ্ট্র সহ একাধিক রাজ্যে বাংলাভাষী শ্রমিকদের বেছে বেছে হেনস্থা ও গ্রেফতার করছে পুলিশ। আর এই ইস্যুকে ভিনরাজ্যে বাঙালি হেনস্থা হচ্ছে বলেও দাবি করছে মমতা-অভিষেকরা।

দেখুন মিঠুন চক্রবর্তীর মন্তব্য

তৃণমূলের অভিযোগের সমালোচনা মিঠুন চক্রবর্তীর

এই প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস মিথ্যা ও ভিত্তিহীন কথা বলছে। এদেশের কোনও বাঙালি ভিনরাজ্যে হেুনস্থার শিকার হচ্ছে না। শুধুমাত্র বাংলাদেশি নাগরিকদের সনাক্ত করা হচ্ছে। কয়েকদিন আগে বেঙ্গালুরুতে আমার হোটেল তৈরি হয়েছে। সেখানে অধিকাংশই এই রাজ্যের বাঙালি শ্রমিক ছিল, কই তাঁদের তো কোনও সমস্যা হয়নি। শুধুমাত্র বাংলাদেশিদেরই ধরা হচ্ছে। এদেশের কেউ সমস্যায় পড়ছেন না। এসব মিথ্যা রটানো হচ্ছে”।