TMC Birbhum Leader Murder (Photo Credit: X@JantaJournal)

বীরভূমের ৪২ বছর বয়সী তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি খুনের ঘটনায় দুই মহিলা সহ তিনকনকে আটক করল বীরভূম পুলিশ। রবিবার ভোরে জেলার কোমরপুর গ্রামে শ্রীনিধিপুর পঞ্চায়েত সভাপতি পীযূষ ঘোষের বাসভবনের কাছে অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীরা তাকে গুলি করে হত্যা করে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়,মাথায় গুলি লেগে মৃত্যু হয়েছে পীযুষের। উল্লেখ্য পীযূষ ঘোষ সাঁইথিয়া পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মদক্ষ (কৃষি দপ্তরের দায়িত্বে) ছিলেন এবং শ্রীনিধিপুর এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের গ্রাম-স্তরের সভাপতি ছিলেন।

পরিবারের লোকজন পুলিশ কে বলে শনিবার রাত বারোটার পর পীযূষ ঘোষ একটি ফোন পেয়ে বাইক নিয়ে বেরিয়ে যায়। এরপর ভোরের দিকে ফোন পেয়ে বাড়ির লোকজন বেরিয়ে বাড়ি থেকে এক কিলো মিটার দূরে তার দেহ উদ্ধার করে।মৃত পীযুষের বাড়ি এলাকায় আহমেদ পুরে। পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায় ভোর চারটের কাছাকাছি। এরপর বোলপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষনা করে। পরিবারের লোকেরা পুলিশ কে জানায় প্রায়ই খুনের হুমকি আসতো মৃত পীযুষের কাছে। ঘটনার সময় মৃত ব্যক্তির পাশে একটি বাইক উদ্ধার করা হয়েছে।

বীরভূমের তৃণমূল নেতার খুনে আটক দুই মহিলা সহ এক জন

নিহতের ঘনিষ্ঠ কেউ এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছে পুলিশ। তবে পরিবারের ধারণা, অঞ্চলের সভাপতির পদ থেকে সরানোর জন্যই ঘোষকে হত্যা করা হয়েছে। তবে পুলিশ ব্যক্তিগত শত্রুতার কারণে এই অপরাধের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়নি।

লাভপুরের বিধায়ক অভিজিৎ সিনহা বলেন, "এটি খুবই দুঃখজনক ঘটনা। এই হত্যাকাণ্ড ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে।" বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল বলেন, "আমরা চাই পুলিশ বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত করুক এবং এই জেলাকে রক্ষা করুক।"