Bhatpara: অস্বস্তিতে বিজেপি, ফের ভাটপাড়া দখলের পথে তৃণমূল!
রাজ্যে অশান্তির ছবি (প্রতীকী ছবি: Twitter)

ভাটপাড়া, ৬ নভেম্বর: ফের ভাটপাড়া (Bhatpara) দখলের পথে তৃণমূল (Trinamool Congress)। বর্তমানে বিজেপির (BJP) পরিচালনায় ভাটপাড়া পুরসভা। এই ভাটপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল (সিআইসি) পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে পুরবোর্ডের স্বাস্থ্য বিভাগের মনোজ গুহ এবং জঞ্জাল অপসারণ বিভাগের সিআইসি মদনমোহন ঘোষকে। গতকাল মঙ্গলবার সরিয়ে দেওয়া হয় দু’জনকে। তাঁদের জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দুর্বা ভট্টাচার্য এবং মোহন দাসকে। সূত্রের খবর, শীঘ্রই তৃণমূলে ফিরবেন মনোজ এবং মদনমোহন। তারই প্রথম পদক্ষেপ হিসেবেই এই দু’জনের সিআইসি পদ থেকে ইস্তফা বলে জানা গিয়েছে। যদিও সিআইসি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন মনোজ এবং মদনমোহন। তাঁদের বক্তব্য তাঁরা নিজেরাই ইস্তফা দিয়েছেন।

এই সময় পত্রিকার খবর অনুযায়ী ভাটপাড়ার পুরপ্রধান সৌরভ সিং (Sourav Singh) এই প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘দলের অন্দরে আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁদেরকে চিঠিও দেওয়া হয়েছে।’কিন্তু মনোজ এবং মদনমোহনের আরও বক্তব্য, পুরসভার রিসিভিং সেকশনে গিয়ে পদত্যাগের চিঠি জমা দিয়েছেন তাঁরা। হালিশহর, কাঁচরাপাড়া, নৈহাটি, গারুলিয়া পুরসভা পুনরুদ্ধারের পর শাসকদল তৃণমূলের নেতাদের নজরে এখন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের (Arjun Singh) ‘দুর্গ’ ভাটপাড়া। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বহু তৃণমূল নেতা ইতিমধ্যেই সেকথা প্রকাশ্যে জানিয়েছেনও। এদিনের ঘটনা সেই প্রক্রিয়ারই প্রতিফলন বলে মত রাজনৈতিক মহলের। আরও পড়ুন: ফের অশান্ত ভাটপাড়া, পুরসভায় দুষ্কৃতী তাণ্ডবে চলল গুলি নামল কমব্যাট ফোর্স

শাসকদল যে এবার ভাটপাড়া পুনর্দখলের দিকে এগোচ্ছে, এদিন তা অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে বলেই মত স্থানীয়দের (Locals)। মনোজ বলেন, ‘তৃণমূলের টিকিটেই আমরা পুরভোটে জিতেছি। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের পরে কাউন্সিলরদের গান পয়েন্টে রেখে বিজেপি সমর্থন আদায় করেছিল। বাধ্য হয়েই সমর্থন দিয়েছিলাম। বিজেপি একটি বর্বর দল। বিজেপিকে সমর্থন জানালেও মনটা তৃণমূলেই পড়েছিল। আমার পক্ষে এই বর্বর দলের সঙ্গে আর থাকা সম্ভব নয়। তৃণমূলের কাছে আবেদন করব দল যাতে আবার আমাদের গ্রহণ করে।’অন্যদিকে মদনমোহনের কথায়, ‘বিজেপি পরিচালিত পুরবোর্ডে চূড়ান্ত অস্থির পরিস্থিতি চলছে। জঞ্জাল বিভাগের কর্মচারীদের বেতন দেওয়া হচ্ছে না। এসব বদনামের ভাগীদার আমরা হতে চাই না। তাই পদত্যাগ করেছি। বিজেপিতেও আর থাকার ইচ্ছা নেই।’