Photo Credits: ANI

বিজেপি রাজ্য সভাপতি নির্বাচনে বাংলায় এসে আবারও তোপ দাগলেন অমিত মালব্য। গত বৃহস্পতিবার কলকাতার সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠান থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) এর মাথায় তুলে দেওয়া হল বঙ্গ বিজেপির কাণ্ডারির মুকুট। নতুন সভাপতিকে স্বাগত জানান সদ্য প্রাক্তন সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা সুনীল বনশল, রবিশঙ্কর, মঙ্গল পাণ্ডে, অমিত মালব্য-সহ একাধিক নেতাও।

এই অনুষ্ঠানে এসে ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের সুর বেঁধে দিলেন রাজ্য বিজেপি পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। এমনকি দায়িত্ব নিয়ে প্রথম বার্তাতেই আক্রমণাত্মক ভঙ্গি ছিল শমীকের।তিনি  বলেন, ‘‘একদিন বাংলায় বিজেপি অপাঙক্তেয় ছিল, আমাদের ভোট ১ শতাংশের নীচে ছিল। আর আজ বাংলার মানুষ তৃণমূলকে হঠিয়ে বাংলায় বিজেপির সরকার গঠনের জন্য তৈরি হচ্ছেন। এবারে আর দু'শ পার নয়, তৃণমূলের পরপার নিশ্চিত।"

আজ এক্স হ্যান্ডেলে অমিত মালব্য এর টুইট-

আজ বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে সুর চড়িয়েছেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। তিনি শুক্রবার বলেন - “আমাদের লড়াইটা শুধুমাত্র রাজনৈতিক লড়াই নয়, এটা পশ্চিমবঙ্গের আত্মাকে বাঁচানোর লড়াই।” এক্স হ্যান্ডলে শুক্রবার বিজেপি নেতা অমিত মালব্য বলেন, “মা কালী, মা দুর্গা, দেবী চণ্ডী, চৈতন্য মহাপ্রভু এবং পশ্চিমবঙ্গের শক্তিকে এগিয়ে নিয়ে আমরা লড়াই করব। ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী না থাকলে আজ পশ্চিমবঙ্গ পূর্ব পাকিস্তানের অংশ হত। তিনি না থাকলে পশ্চিমবঙ্গের জন্মই হতো না। অনুশীলন সমিতি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আরএসএস দেশ গঠনের কাজ শুরু করে এবং সেই বিপ্লবী বাঙালি আগুন এখনো আমাদের ধমনীতে বইছে।

বিজেপি বহিরাগত দল এই প্রশ্ন বারবার উঠেছে আগে। সেই নিয়ে তিনি বলেন-

বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের দল। অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলি অন্যান্য বাইরের দলের অংশ কিংবা অন্যত্র থেকে আমদানি করা, যাদের সাথে পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতির কোন মিল নেই।*তৃণমূল পশ্চিমবঙ্গে উর্দু সংস্কৃতি নিয়ে আসতে চাইছে। ফিরহাদ হাকিম পশ্চিমবঙ্গের অংশকে "মিনি-পাকিস্তান" বলেন।বিজেপির এই লড়াই বাঙালি অস্মিতা, বাঙালি গৌরব, হিন্দুদের আস্থা এবং সংগ্রামীদের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা এবং রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি।