আগামী ২১ জুলাই থেকে পার্লামেন্টে শুরু হচ্ছে বাদল অধিবেশন। যদিও তার আগে পহেলগাম হামলা ও অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বিশেষ অধিবেশনের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে অনুরোধ করেছিলেন বিরোধী শিবিরের নেতারা। কিন্তু তাতে সারা না দিয়ে সরাসরি ৪৭ দিন আগেই বাদল অধিবেশনের ডাক দেয় কেন্দ্র সরকার। যা নিয়ে ইতিমধ্যে এনডিএ সরকারকে নিশানা করেছে ইন্ডিয়া শিবির। এদিকে আবার পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে (Murshidabad Violence) এপ্রিল মাসে যে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল সেই নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে বাদল অধিবেশনে, এই নিয়ে তৃণমূলকে আগে থেকেই হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল।

মুর্শিবাদ নিয়ে অগ্নিমিত্রা পালের বক্তব্য

তিনি বলেন, কংগ্রেস ও তৃণমূলের নেতাদের দু’ধরনের অবস্থান রয়েছে। তাঁরা যখন সর্বদলীয় বৈঠকে বসে, তখন তাঁরা প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন করেন, দেশের পাশে থাকেন। কিন্তু যখনই এই সমস্ত দলের প্রতিনিধিরা বাইরে গিয়ে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার সময় আসে তখনই কটা বায়ুসেনার বিমান ভেঙে পড়েছে, পহেলগাম হামলায় নিরাপত্তার কী ত্রুটি ছিল, এইসব কথা বলেন। পার্লামেন্টেও যদি এই ধরনের প্রশ্ন ওঠে, তাহলে তৃণমূলকে জবাব দিতে হবে মুর্শিদাবাদের ঘটনা নিয়েও। কারণ দুটি ঘটনাই অনেকটা সমান। তাই এই নিয়েও প্রশ্ন ওঠা উচিত।

দেখুন অগ্নিমিত্রার পালের বক্তব্য

অগ্নিমিত্রার পালের হুঁশিয়ারি

অগ্নিমিত্রা আরও বলেন, পহেলগামে যেমন ২৬ জনকে খুন করা হয়েছে, তেমনই মুর্শিদাবাদেও পরিকল্পনা করে হিংলা ছড়ানো হয়েছে। দুজনকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। তৃণমূল নেত্রী প্রথমে অভিযোগ করছিলেন যে সীমান্ত থেকে নাকি লোক ঢুকিয়ে হিংসা ছড়ানো হয়েছে। কিন্তু হাইকোর্ট এবং সিটের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই হিংসা ছড়ানোর জন্য স্থানীয় কাউন্সিলর, ধুলিয়ানে তৃণমূলের চেয়ারম্যান এবং তৃণমূল বিধায়ক এই ঘটনায় জড়িত। ফলে, এই নিয়ে বাদল অধিবেশনে অবশ্যই আলোচনা হবে।