এই প্রথম ভারতের মাটিতে ওয়ান ডে ক্রিকেট বিশ্বকাপে খেলতে নামবে বাংলাদেশ। ১৯৯৯ সাল থেকে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা পেয়েছে বাংলাদেশ। তার মধ্যে ভারতে একবারই ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজিত হয়েছে। ২০১১ বিশ্বকাপ ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজিত হয় বাংলাদেশে। সাকিব আল হাসনরা ২০১১ বিশ্বকাপে তাদের সব ম্যাচ তাদের দেশেই খেলেছিলেন। গ্রুপ লিগ থেকে বিদায় নেওয়া বাংলাদেশ আর সেই বিশ্বকাপে ভারতে এসে খেলার সুযোগ পায়নি। ৩৬ বছরের সাকিবের এটাই শেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপ হতে চলেছে। দেশের সর্বকালের সেরা ক্রিকেটার চাইবেন বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে স্মরণীয় পারফরম্যান্স করতে।
এবার সরাসরি ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছেন সাকিবরা। গত ২০১৯ বিশ্বকাপে লিগ পর্বে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারালেও দশ দলের টুর্নামেন্টে আট নম্বরে শেষ করে। এবার বাংলাদেশের কাছে বড় কিছু প্রত্যাশা আছে। উপমহাদেশের পিচে বিশ্বকাপ হওয়ায় বাংলাদেশকে সেমিফাইনালে ওঠার ব্যাপারে ডার্ক হর্স ধরা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত ওয়ানডে-তে বাংলাদেশের সেরা পারফরম্যান্স ২০১৫ বিশ্বকাপে। অস্ট্রেলিয়া-নিউ জিল্যান্ডে আয়োজিত সেই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল। আরও পড়ুন-Pakistan Cricket Team Full Schedule at ICC World Cup 2023: বিশ্বকাপের মহাযুদ্ধে ভারত-পাক মুখোমুখি হবে কবে? রইল পাক দলের সম্পূর্ণ সূচী
এবার বিশ্বকাপে লিগ পর্বে বাংলাদেশ দুটি ম্যাচ খেলবে ইডেন গার্ডেন্সে। বাংলাদেশের হাইপ্রোফাইল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচ হবে কলকাতায়। পাশাপাশি ক্রিকেটের নন্দনকাননে কোয়ালিফায়ার দলের বিরুদ্ধে একটি ম্য়াচ খেলবে বাংলাদেশ। কলকাতার মত ধর্মশালা ও পুণেতে দুটি করে ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। এ ছাড়া সাকিবরা খেলবেন চেন্নাই, মুম্বই ও দিল্লিতে। পদ্মাপাড়ের দেশ এবার বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ধর্মশালায় রশিদ খানের আফগনিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে। সাকিবদের প্রথম চারটি ম্য়াচের প্রতিপক্ষ- আফগানিস্তান, গতবারের চ্য়াম্পিয়ন ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও ভারত। সেমিতে উঠতে হলে শুরুটা ভাল করতেই হবে সাকিবদের।
এবার বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ
৭ অক্টোবর: আফগানিস্তান (ধর্মশালা)
১০ অক্টোবর: ইংল্যান্ড (ধর্মশালা)
১৪ অক্টোবর: নিউ জিল্যান্ড (চেন্নাই)
১৯ অক্টোবর: ভারত (পুণে)
২৪ অক্টোবর: দক্ষিণ আফ্রিকা (মুম্বই)
২৮ অক্টোবর: কোয়ালিফায়ার ১ (কলকাতা)
৩১ অক্টোবর: পাকিস্তান (কলকাতা)
৬ নভেম্বর: কোয়ালিফায়ার ২ (দিল্লি)
১২ নভেম্বর: অস্ট্রেলিয়া (পুণে)