প্রতিবছর ১ জুলাই পালিত হয় ন্যাশনাল ডক্টরস ডে বা জাতীয় চিকিৎসক দিবস। এই দিনটি শুধু একটি পেশার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের দিন নয়, বরং মানবতার প্রতি অক্লান্ত সেবার কৃতজ্ঞতা জানানোর বিশেষ মুহূর্ত।
১৯৯১ সালে এই বিশেষ দিনটির সূচনা হয়েছিল। ভারতের প্রখ্যাত চিকিৎসক এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ডা. বিধানচন্দ্র রায়-এর জন্ম ও মৃত্যুদিন উপলক্ষে। তাঁর অসাধারণ অবদান ও মানবসেবার চেতনাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে ১ জুলাইকে চিকিৎসকদের সম্মাননার দিন হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
চিকিৎসকরা কেবল রোগ নিরাময়কারী নন, তাঁরা জীবনের প্রতিটি কঠিন মুহূর্তে একজন পথপ্রদর্শকের মতো পাশে থাকেন। করোনা মহামারীর সময় তাঁদের অবিরাম পরিশ্রম ও আত্মত্যাগ আরও একবার প্রমাণ করে দিয়েছিল চিকিৎসক মানে জীবনদাতা।
ন্যাশনাল ডক্টরস ডে-তে বিভিন্ন হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে আয়োজন হয় বিশেষ সেমিনার, আলোচনা ও সম্মাননা অনুষ্ঠান। রোগীরাও এ দিনটিতে তাঁদের প্রিয় চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জানান।
তবে এই দিনটি কেবল শুভেচ্ছা জানিয়ে শেষ করা নয়, বরং চিকিৎসকদের কাজের পরিবেশ, চাপ, নিরাপত্তা ও মানসিক স্বাস্থ্যের দিকটিও আলোচনায় আনা দরকার। এবং এই বিশেষ দিকটিতে আমাদের সকলের মনোযোগ দেওয়া দরকার। কারণ, একজন ভালো চিকিৎসক তৈরি হতে লাগে বছরের পর বছর অধ্যবসায়, ত্যাগ আর আত্মনিবেদন। চিকিৎসকদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা আর কৃতজ্ঞতা থাকুক চিরকাল। ন্যাশনাল ডক্টরস ডে হোক তাঁদের প্রতি ভালোবাসা ও সম্মানের প্রতীক। চিকিৎসককে ভগবান বলা হয়, সেই সম্মান অটুট থাকুক।