Kojagiri Purnima 2025: দশমী পার হয়েছে। আজ একাদশী। মা দুর্গার বিদায়ে বাঙালির মনে বিষাদের সুর। মা চলে গেলেন কৈলাশে। আবার এক বছরের পালা। তারপর আবার আপামর বাঙালি মেতে উঠবে শারদ উৎসবে। মা দুর্গার বিদায়ে মন খারাপ হলেও বসে থাকলে তো আর চলে না। মানুষের দীবন চলে চিরাচরিত রীতি মেনেই। তাই দশমীর পর এবার লক্ষ্মী পুজোর তোড়জোড়ের পালা। আগামী ৬ অক্টোবর কোজাগরী পূর্ণিমা (Kojagiri Purnima 2025)। ওইদিন বাংলার ঘরে ঘরে হবে লক্ষ্মী পুজো। কোজাগরী পূর্ণিমা বা শারদ পূর্ণিমায় প্রদীপ জ্বলছে প্রত্যেক ঘরে। আরাধনা হবে মা লক্ষ্মীর (Laxmi Puja)।
কোজাগরী পূর্ণিমাকে শরদ পূর্ণিমাও বলা হয়। এই দিন ধনদেবী লক্ষ্মীর পুজো করা হয় বাঙালির ঘরে। ঘরে যাতে সমৃদ্ধি আসে, তার জন্যই করা হয় লক্ষ্মী পুজো।
আরও পড়ুন: Vijayadashami, Durga Puja 2025: বিজয়া দশমীর সিঁদূর খেলায় মেতে উঠলেন কাজল, ঋতুপর্ণা, দেখুন ভিডিয়ো
কবে কোজাগরী পূর্ণিমা পড়েছে এ বছর
আগামী ৬ অক্টোবর অর্থাৎ সোমবার পড়েছে কোজাগরী পূর্ণিমা বা শরদ পূর্ণিমা।
কোজাগরী শব্দে অর্থ
কোজাগরী অর্থাৎ কোজাগর মানে জেগে থাক। মনে করা হয়, কোজাগর-এর অর্থ সারা রাত জেগে থাকা। শরদ পূর্ণিমায় যাঁরা জেগে থাকেন, তাঁদের ঘরে আসেন মা লক্ষ্মী। লক্ষ্মী চঞ্চলা। তাই তিনি কখন আসবেন, কেউ জানে না। তাই রাতভর জেগে থেকে লক্ষ্মী দেবীর আগমণের অপেক্ষা করেন মানুষজন।
শরদ পূর্ণিমায় মা লক্ষ্মী স্বর্গ থেকে মর্তে আসেন। মা লক্ষ্মী মর্তে এসে, সবাইকে আশীর্বাদ করেন। প্রত্যেকের ঘর সুখ, সমৃদ্ধিতে ভরিয়ে তোলেন। তাইতো কোজাগরী পূর্ণিমার রাতে অনেক বাড়িতেই রাতভর ধূপ, দ্বীপ জ্বলতে দেখা যায়।
হিন্দুরা কেন কোজগারী পূর্ণিমা পালন করেন?
লক্ষ্মী দেবীর আশীর্বাদ পেতেই কোজাগরী পূর্ণিমা পালন করা হয়। ওই দিন অনেকে দুধ এবং গোবিন্দভোগ চাল দিয়ে পায়েস তৈরি করেন। আর সেই পায়েস যদি চাঁদের আলোর নীচে রেখে দেওয়া হয় এবং পরদিন তা খাওয়া হয়, তাহলে লক্ষ্মী দেবীর আশীর্বাদ মেলে বলে মনে করেন অনেকে।
কোজাগরী পূর্ণিমায় স্বর্গ থেকে মর্তে আসেন ধনদেবী, লক্ষ্মী চঞ্চলা তাই রাতভর প্রদীপ জ্বেলে অপেক্ষা করেন মানুষ