করলা তিতকুটে স্বাদ। তাই অনেকেই অপছন্দ করলেন। বিশেষত করলার জুস খাওয়া খুবই কষ্টকর হয়। এমনিতেই করলা ভাজা কিংবা যে কোন রান্নাই করলা ব্যবহার করলে তা খাওয়া যায়। তবে জুস খাওয়ার প্রতি অনীহা থাকে। কিন্তু করলার জুসের অনেক উপকারিতা রয়েছে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, হজম শক্তি বৃদ্ধি, ওজন কমানো সহ নানা স্বাস্থ্য উপকার করে করলার জুস।  তবে অতিরিক্ত করলার জুস খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। জেনে নিন অতিরিক্ত করলা জুস খেলে কি সমস্যা হতে পারে।

করলার জুস অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে পেট খারাপ, বমি ভাব, ডায়রিয়া, এমনকি রক্তে শর্করার মাত্রা অত্যন্ত কমে যেতে পারে, যা হাইপোগ্লাইসেমিয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে যারা ইনসুলিন বা ওষুধে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করেন, তাদের জন্য অতিরিক্ত করলার রস ঝুঁকিপূর্ণ।

গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী নারীদের জন্য করলার জুস একেবারেই নিরুৎসাহিত করা হয়। কারণ এতে থাকা কিছু উপাদান জরায়ু সংকোচন ঘটাতে পারে।

তাই করলার জুস খেতে হবে নিয়ম মেনে। দিনে একবার, এবং সর্বোচ্চ আধা কাপ করলার জুস খাওয়া নিরাপদ বলে পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। খালি পেটে না খেয়ে, হালকা কিছু খাওয়ার পরে এটি পান করাই ভালো।

স্বাস্থ্য সচেতন হওয়া ভালো, তবে সঠিক পদ্ধতি মেনে চলতে হবে। কোন কিছুই অতিরিক্ত ভালো নয় । তাই করলা জুস কতটা খেতে পারবেন , আপনার শারীরিক অবস্থা কেমন রয়েছে তা চিকিৎসকের কাছে সঠিক ভাবে পরীক্ষা করে এবং চিকিৎসক যতটা পরিমাণ খাবার কথা বলবেন ততটাই খাবেন। তাহলেই আপনি পাবেন।