শ্যাম্পু চুলের পুষ্টি জোগায় চুল পড়া রোধ করে এবং চুলে খুশকি থাকলে দূর করে । এর পাশাপাশি নিয়মিত শ্যাম্পু করলে চুল পড়া বন্ধ হয়। কিন্তু সঠিক নিয়ম মেনে শ্যাম্পু না করলে চুল পড়া বন্ধের পরিবর্তে, চুল ওঠা শুরু হয়ে যেতে পারে। অনেকেই মাথায় শ্যাম্পু দীর্ঘ সময় ধরে ঘষতে থাকেন এটা সঠিক পদ্ধতি নয় । তবে এবং মাথা কিভাবে দেবেন তা জেনে নিন।।
শ্যাম্পু সাধারণত সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার করার নিয়ম। তবে শ্যাম্পু করার আগে চুল আঁচড়ে নিন। কারণ চুলে জট থাকলে শ্যাম্পু করতে সমস্যা হবে। তার ওপর বিশেষ করে মাথায় জোরে চাপ দিয়ে শ্যাম্পু করা যাবে না। তাতে চুল ওঠার সম্ভাবনা থাকে । তাই শ্যাম্পু করার আগে চুল একবার আঁচড়ে নিন।
অনেকেই ঠান্ডা জলে মাথা ধুয়ে পরিষ্কার করেন। তবে শ্যাম্পু করার আগে চুল পরিষ্কারভাবে ধুতে হবে হালকা গরম জলে। মাথা ধুলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে। কারণ সে ক্ষেত্রে চুলের মধ্যে থাকা সমস্ত ময়লা লেগে থাকা সম্ভাবনা থাকে সেটা চলে যায়। মাথা ধোয়া হয়ে গেলে এবার হালকা মেসেজ করে শ্যাম্পু করতে থাকুন। মাথা নখ দিয়ে কখনোই খোঁজবেন না তাতে কেটে যেতে পারে এবং ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। শ্যাম্পু করার আগে যেমন হালকা উষ্ণ জলে মাথা ধুয়েছিলেন শ্যাম্পু করার পর ঠিক একইভাবে হালকা উষ্ণ জলে মাথা ধুয়ে নেবেন । কারণ শ্যাম্পুর অংশ চুলের মধ্যে থাকলে চুল জট পরা সম্ভাবনা থেকে থাকে। এবং চুল সিল্কি হবে না। চুল ভালো করে ধোয়ার পর অবশ্যই কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।
সালফেট মুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন। মাথা মোছার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। অনেকেই চাপ দিয়ে জোরে জোরে মাথার চুল শুকানোর জন্য মোছেন। সেটা ঠিক নয়। মাথা থেকে জল ঝরিয়ে শুকিয়ে নেওয়ার পর চুলের ওপর আলতো মেসেজ করে মুছতে হবে। নরম তোয়ালে ব্যবহার করবেন। ড্রায়ার দিয়েও শুকিয়ে নিতে পারেন। চুল ভালো রাখতে গেলে শুধু শ্যাম্পু বা কন্ডিশনার ব্যবহার করলেই হবে না। ব্যবহার করতে হবে সিরাম। চুলে সিরাম ব্যবহার করলে জট পড়া, চুলে দুর্গন্ধ ,সমস্ত দূর হবে এবং চুল হবে সিল্কি।। এইভাবে চুলে যদি নিয়ম মেনে শ্যাম্পু করেন তাহলে চুলে পুষ্টি যোগাবে চুল পড়া বন্ধ হবে চুল হবে স্বাস্থ্যজ্জ্বল। তাই এইভাবে সঠিক নিয়ম মেনে শ্যাম্পু করুন।