কলমি শাক পুষ্টিগুণে ভরপুর সবুজ শাক। বর্ষাকালে সাধারণত এই শাক সহজলভ্য হয় এবং এটি বহু স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য পরিচিত। এতে রয়েছে প্রচুর আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন এ,সি এবং ফাইবার । যা আমাদের দেহের নানা প্রয়োজন মেটাতে সাহায্য করে।
কলমি শাক রক্তশূন্যতা দূর করতে খুবই উপকারী। এতে থাকা আয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়াতে সাহায্য করে। বিশেষ করে নারীদের জন্য এটি অত্যন্ত উপকারী, কারণ তারা প্রায়ই আয়রনের ঘাটতিতে ভোগেন।
এই শাক হজমে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে কার্যকর। ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি অন্ত্র পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে এবং হজমপ্রক্রিয়া উন্নত করে।
কলমি শাকে থাকা ভিটামিন এ চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।
চর্মরোগ, অ্যালার্জি বা চুলকানির মতো সমস্যাতেও কলমি শাক খাওয়া উপকারী হতে পারে। এটি শরীরের ভেতরের টক্সিন পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এবং ঠান্ডা লাগা বা হালকা জ্বরেও উপশম আনে।
পুরুষদের শুক্রাণু বাড়ায় কলমি শাক। পুরুষত্ব চাঙ্গা রাখে রাখে। আবার ত্বকের জন্য দারুন উপকারি।
সবচেয়ে বড় কথা, এটি রান্না করাও খুব সহজ এবং স্বাদেও অপূর্ব। ভাজা, ঝোল বা ভর্তা – যেভাবেই খান না কেন, স্বাস্থ্যের জন্য এটি এক দুর্দান্ত সবজি।
তাই ডায়েট তালিকায় কলমি শাক অবশ্যই রাখুন। প্রাকৃতিক উপায়ে সুস্থ থাকতে এর জুড়ি নেই।