সুপারি, যা আমরা সাধারণত পান খাওয়ার সময় ব্যবহার করি, তা শুধুই মুখের স্বাদ বাড়ায় না, বরং স্বাস্থ্য উপকারিতাও অসংখ্য। আয়ুর্বেদ এবং প্রাচীন চিকিৎসাশাস্ত্রে সুপারির গুরুত্ব বহুদিনের। তবে অবশ্যই পরিমাণমতো খাওয়া জরুরি, কারণ অতিরিক্ত সেবনে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে।

সুপারি হজমের ক্ষেত্রে সহায়ক। এটি পাকস্থলীর এনজাইম নিঃসরণ বাড়ায়, যার ফলে খাবার দ্রুত হজম হয় এবং গ্যাস বা অম্বলের সমস্যা কমে। অনেকে ভারী খাবারের পরে একটু সুপারি চিবিয়ে থাকেন এই কারণেই।

এটি মুখের স্বাস্থ্য রক্ষা করে। সুপারি চিবালে মুখের লালা নিঃসরণ বাড়ে, যা মুখকে ব্যাকটেরিয়া মুক্ত রাখতে সাহায্য করে। কিছু ক্ষেত্রে দাঁতের সংক্রমণ কমাতে ও মাড়ির সমস্যা হ্রাস করতে এটি উপকারী হতে পারে।

এটি শক্তি বৃদ্ধি করে ও মানসিক সজাগতা বাড়ায়। প্রাকৃতিক উদ্দীপক হিসেবে সুপারি কাজ করে, যার ফলে ক্লান্তি দূর হয় এবং একাগ্রতা বৃদ্ধি পায়।

এছাড়াও, সুপারিতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান, যা দেহের কোষকে সুরক্ষা দেয় এবং বয়ঃজনিত সমস্যা হ্রাসে সহায়তা করতে পারে।

তবে সতর্কতা জরুরি। অতিরিক্ত ও নিয়মিত সুপারি সেবনে মুখে আলসার, দাঁতের সমস্যা এমনকি দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সারের ঝুঁকিও বেড়ে যেতে পারে। তাই মাঝেমধ্যে, পরিমিত পরিমাণে ব্যবহার করলেই সুপারির স্বাস্থ্য উপকারিতা উপভোগ করা সম্ভব।