এবং কালো হবে পাশাপাশি গোড়া মজবুত হবে। এমনটাই বিশ্বাস অনেকের। সেই বিশ্বাস থেকেই মাথা ন্যাড়া করিয়ে দেওয়া হয় শিশুর। অনেকে জন্মের কিছুদিন পরেই মাথা ন্যাড়া করে দেয়। অনেকে আবার কয়েকদিন অন্তর অন্তর মাথা ন্যাড়া করতে থাকেন চুল ভালো হওয়ার আশায় । হিন্দু শাস্ত্রে বাচ্চাদের মাথা কামিয়ে দেওয়ার এই প্রথা মুণ্ডন নামে পরিচিত। কিন্তু এর পিছনে বিজ্ঞান কি বলছে। সত্যিই কি মাথা ন্যাড়া করলে ঘন এবং কালো হয় চুল। জেনে নেওয়া দরকার ঠিক কোন বয়সে মাথা ন্যাড়া করা যায়। অনেকেই ১৮ মাসে জন্মের চুল কামিয়ে দেওয়ায় বিশ্বাসী।
জীব বিজ্ঞান বলছে, একটা বয়সের পর জন্মের সময়কার ঝরে গিয়ে নতুন চুল গজায়। সেই চুল অনেক বেশি মোটা হয়। তবে কার মাথায় কেমন চুল হবে তা ফলিকলস-এর ওপর নির্ভর করে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রত্যেকেই জন্মের সময় নির্দিষ্ট সংখ্যক ফলিকলস থাকে। তা কোনভাবেই বাড়ে না।
বিজ্ঞান বলছে, শিশুকে বার বার ন্যাড়া করানো ভালো নয়। এর জন্য চুল ঘন বা পাতলা নির্ভর করে না। জন্মের পর প্রথম কয়েক দিন শিশুর মাথার ত্বক বেশ নরম ও সংবেদনশীল থাকে, তাই এই সময় মাথা ন্যাড়া না করাই ভালো।
মাথা ন্যাড়া করতে হলে ন্যাড়া করার পর সূর্যের আলো থেকে রক্ষা করার জন্য হালকা কাপড় দিয়ে শিশুর মাথা ঢেকে রাখা উচিত। মাথা ন্যাড়া করার পর শিশুর মাথার ত্বকের যত্ন নিতে হবে। ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে।
শিশুর মাথা ন্যাড়া করতে হলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।