অ্যাজমা প্রতিরোধের উপায় নিয়ে যদি আমরা কথা বলি, তাহলে এর মূলে আছে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের যত্ন, সচেতনতা ও উদ্দেশ্যমূলক পরিবর্তন। আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাসের গুরুত্ব এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা বজায় রাখতে সচেষ্ট হলে, অ্যাজমা থেকে নিজেদের রক্ষা করা সম্ভব।

প্রথমেই, বাড়ি ও চারপাশের পরিবেশকে যতটা সম্ভব পরিষ্কার ও শুষ্ক রাখা গুরুত্বপূর্ণ। ধুলো, এবং ধোঁয়া, এসব বিষাক্ত উপাদানগুলো শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণের সময় ফুসফুসে প্রবেশ করে, যেটা অ্যাজমা আক্রমণকে বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই নিয়মিত ঘরপরিষ্কার এবং আশপাশের দূষণ থেকে বিরত থাকা জরুরি।

দ্বিতীয়ত, আমাদের শরীরের যত্ন নিতে একটি সুস্থ খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত ব্যায়ামের গুরুত্ব অপরিহার্য। শ্বাস-প্রশ্বাস সুস্থ রাখার জন্য ফুসফুসের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা দরকার। খেলাধুলা, হাঁটা বা হালকা যোগ ব্যায়াম, এসব কাজ নিয়মিত করলে, শুধু শারীরিক নয়, মানসিক সতেজতাও তৈরি হয়। খাদ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থাকা উচিত, যা ফুসফুস ও অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে শক্তিশালী করে।

তৃতীয়ত, চিকিৎসকের সাথে নিয়মিত পরামর্শ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অনেকবার জানা গেছে যে, চিকিৎসক নির্দেশনা মানলে এবং প্রয়োজন মতে ওষুধ গ্রহণ করলে অজানা যে কোন সমস্যা থেকে প্রতিরোধ সহজ হয়।