কলা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। কলা কার্বোহাইড্রেটের একটি ভালো উৎস, বিশেষ করে প্রাকৃতিক শর্করা যেমন গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ এবং সুক্রালোজ। এগুলো শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি যোগায়। তাই এটি তাৎক্ষণিক শক্তির জন্য সেরা জলখাবার। এতে কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, পটাসিয়াম, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ম্যাগনেসিয়াম, তামা ইত্যাদির মতো অনেক পুষ্টি উপাদান রয়েছে, যা শরীরে শক্তি সরবরাহ, হৃদরোগের স্বাস্থ্য বজায় রাখা, হজমশক্তি উন্নত করা, মানসিক অবস্থার ভারসাম্য বজায় রাখা এবং ত্বকের উন্নতির জন্য একটি চমৎকার বিকল্প।  ভিটামিন এ, সি এবং বি৬ ছাড়াও, কলায় ম্যাঙ্গানিজ, পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজ পদার্থও রয়েছে, যা সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য।

কলা বেশি দিন ঠিক থাকে না। ঘরে রেখে দিলেই দু-একদিনের মধ্যেই কালচে ভাব আসতে শুরু করে। তারপরে ওই জায়গাতেই পচন শুরু হয়। ‌ ফলে খেতে রুচি হয় না কলা। অথচ যারা কলা বিক্রেতা তাদের কাছে কলা পড়ে থাকলেও কোনো দাগ আসেনা। ‌ এটা কেন হয়? আসলে মানলে করাতে কোন কালো দাগ আসবে না। প্রথমত আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে কলা বাড়িতে নিয়ে এসে কোথাও ফেলে বা নামিয়ে রাখবেন না কলার ছড়া কোথাও ঝুলিয়ে রাখুন। কোন দড়ি থাকলে তার মধ্যে ঝুলিয়ে রেখে দিন তাহলে কোন কালচে দাগ আসবে না। কলাকে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে সংরক্ষণ করতে পারেন । তবে এক্ষেত্রে কলা ছড়া থেকে ছাড়িয়ে প্রত্যেক পিস আলাদা করে ফয়েল দিয়ে মুড়িয়ে রাখতে হবে। তাহলে কলাতে কোন কালো দাগ আসবে না। এছাড়া আরো একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। কলা আলাদা সরিয়ে রাখুন। সব ফলের সাথে একসাথে রাখবেন না। অন্য ফল গুলিতে দেওয়া ইথিলিন এর প্রভাব কলার মধ্যে আসলে কলায় খুব দ্রুত কালচে দাগ চলে আসবে। কলা কি ফ্রিজে রাখেন? এটা একদম করবেন না। কলাকে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রেখে দিন। ফ্রিজে রাখলে খুব দ্রুত কলা পাকতে শুরু করবে এবং কালচে দাগ চলে আসবে। তাই কলা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় বাইরে রেখে দিন। কলা যখন পাকে তা ডাটির দিক থেকে পাকতে শুরু করে। তাই ওই অংশটা কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে রাখলে দ্রুত পাকবে না। বাইরের বাতাস থেকে কলা কে প্রটেকশনে রাখলে পাকবে না অর্থাৎ কোন প্লাস্টিক জাতীয় প্যাকেটে মুড়িয়ে রাখতে পারেন। তাতে বাইরের আবহাওয়াতে না আসার ফলে কলা তাড়াতাড়ি পাকবে না। এই নিয়মগুলি মেনে চললে কলা কে বেশ কয়েকদিন ঠিক রাখতে পারবেন কলাতে কোন কালচে দাগ আসবে না।